{{ news.section.title }}
উচ্চকক্ষে বিএনপি ৫৬, জামায়াত এনসিপি কতো আসন পাচ্ছে?
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
স্বৈরাচার হাসিনা পালানোর পর দেশ ও জীবনের প্রথম নির্বাচনে তারেক রহমান পেয়েছে ভূমিধ্বস বিজয়। সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন নিয়ে সরকার গঠন করবে আগামীকাল দলটি।নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৯০ আসনে প্রার্থী দিয়েছিলো বিএনপি, এককভাবে ৪৯.৯৭% ভোট পেয়েছে দলটি।জোট সহ ৫১.১০% ভোট জোটের ঝুলিতে।
অপরদিকে ২২৭ আসনে প্রার্থী দিয়েছিলো জামায়াত, ২২৭ আসনে দলটি পেয়েছে ৩১.৭৬% ভোট, জোট সমেত দলটির পক্ষে এসেছে ৩৮.৫০% ভোট।নির্বাচনে তৃতীয় সর্বোচ্চ ভোটের মালিক এনসিপির, তারা পেয়েছে ৩.৫% ভোট।চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন পেয়েছে ২.৭০% ভোট।জামায়াত জোটের আরো এক শরীক দল খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২.০৯% ভোট। জুলাই সনদের পক্ষে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৬৮ শতাংশ।হ্যাঁ ভোট জয়ী হওয়ায় সংসদ হবে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
হ্যাঁ ভোট জয়ী হওয়ায় ভোটের অনুপাতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। যদিও বিএনপি বলছে, নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) অনুযায়ী সনদ বাস্তবায়ন করবে। দলটি ভোটের অনুপাতের পরিবর্তে আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করতে চায়। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত শনিবারও এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।গত ১৩ নভেম্বর জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল, গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে জুলাই সনদে বর্ণিত উপায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করতে হবে। কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্মকমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে নিয়োগ দিতে হবে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ আসনের সংসদের উচ্চকক্ষ গঠন করতে হবে। সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠের অনুমোদন লাগবে।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী উচ্চকক্ষে রাজনৈতিক দলকে অন্তত ১ শতাংশ ভোট পেতে হবে। স্বতন্ত্র ও বাকিদের ভোট বাদ যাবে এ হিসাব থেকে। এ হিসাবে বিএনপি উচ্চকক্ষে ৫৫ দশমিক ৭৮, জামায়াত ৩৫ দশমিক ৪৫, এনসিপি ৩ দশমিক ৪, ইসলামী আন্দোলন ৩ দশমিক শূন্য ১ এবং বাংলাদেশ খেলাফত ২ দশমিক ৩৩টি আসন পাবে। এ হিসাবে উচ্চকক্ষে বিএনপি ৫৬, জামায়াত ৩৬, এনসিপি ৩, ইসলামী ৩ ও বাংলাদেশ খেলাফত দুটি আসন পাবে। বর্তমানে সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে। সেখানে যে দলের প্রাপ্ত আসনের ভগ্নাংশ সংখ্যা বড় হয়, তারা পূর্ণ আসন পায়। বিএনপি সংসদের আসনের অনুপাতে উচ্চকক্ষের আসন বণ্টন করতে চায়। এ হিসাব ধরলে, দলগুলো সংসদের প্রতি তিনটি আসনের জন্য উচ্চকক্ষে একটি আসন পাবে। তিনের কম আসন পাওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত ও ইসলামী আন্দোলন উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পাবে না। উচ্চকক্ষে প্রতিনিধিত্ব পাবে না একটি করে আসন পাওয়া গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন, বিজেপি ও খেলাফতের অপর অংশ।