{{ news.section.title }}
চট্টগ্রাম বিভাগে কে কোন আসনে কতো ভোটে জয় পেলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা
গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৪২,৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ সংঘটিত হয়েছিল। একই দিনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশব্যাপী গণভোটও আয়োজন করা হয়েছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
কেন্দ্রগুলোতে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি দৃশ্যমান ছিল। প্রথমবার ভোট দেওয়া নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশে আলাদা মাত্রা যোগ করেছিল। রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে নাগরিকরা উৎসাহ নিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছিল।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে গণভোটে অংশ নিয়েছিলেন ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার। ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পেয়েছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। এতে স্পষ্ট ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ বিজয়ী হয়েছিল।
অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করেছিল। জামায়াত জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং অন্যান্যরা ১টি আসনে বিজয় অর্জন করেছিল।
নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের এই অভিজ্ঞতা দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, যেখানে ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জনরায় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল।
চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাসমূহ
চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল আমিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ছাইফুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছের ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা ধানের শীষ প্রতীকে ৭৩ হাজার ৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলাউদ্দীন সিকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৬৬২ ভোট।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ৭০৮ ভোট।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির প্রার্থী গিয়াসউদ্দীন কাদের চৌধুরী ১ লাখ ১২ হাজার ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াছ নুরী মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ১৭৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. এটিএম রেজাউল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭১৯ ভোট।
চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের মো. আবু নাছের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৬৪ ভোট।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ডা. একেএম ফজলুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫২ হাজার ১ ভোট।
চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-খুলশী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৩৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের মো. শামসুজ্জামান হেলালী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪০৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিউল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৮১ ভোট।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির এনামুল হক এনাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতের ডা. ফরিদুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৭০৬ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম ১ লাখ ২৬ হাজার ১৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এসএম শাহাজান মোমবাতি প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ৪৫০ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দীন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পোস্টাল ভোটসহ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় জোটের মনোনীত ছাতা প্রতীকের অধ্যাপক ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে জামায়াতের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৮১ হাজার ২৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৬১ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।
কক্সবাজার
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪০ হাজার ৪৯০ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ২২ হাজার ১৯ ভোট।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১২৫টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৩ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৮৯ ভোট।অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক (হাতপাখা) ৮ হাজার ৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো. মাহমুদুল হক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৭৫৭ ভোট ও গণঅধিকার পরিষদ এস এম রোকনুজ্জামান খান (ট্রাক) পেয়েছেন ১৯৭ ভোট
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৬৪ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৬ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮২৭ ভোট।অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (ফুটবল) পেয়েছেন ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া (আনারস) পেয়েছেন ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার (প্রজাপতি) পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৫৮২ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নূর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল হক (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ) পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট।
রাঙামাটি
রাঙামাটি : প্রতিনিধি জানান, ২৯৯ নম্বর পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী দীপেন দেওয়ান। তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা, তিনি পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২। তবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি।
বান্দরবান
বান্দরবান :১৮৭টি কেন্দ্রের সবগুলোর চূড়ান্ত গণনা শেষে সাচিং প্রু জেরী মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ মো. সুজাউদ্দিন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট। জাতীয় পার্টি (কাদের) মনোনীত প্রার্থী এবং দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মো. ওয়ালীউল্লাহ লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৪০৫ ভোট।অপরদিকে, ১৮৭টি ভোটকেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৬৮ হাজার ৮১৭টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৯ হাজার ৩৬৬টি।
খাগড়াছড়ি
খাগড়াছড়ি : প্রতিনিধি জানান, খাগড়াছড়ি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের ধর্মজ্যোতি চাকমাকে পরাজিত করে জয় নিশ্চিত করেন।জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ২০৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের ওয়াদুদ ভূইয়া মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের ধর্মজ্যোতি চাকমা পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৮৭৯ ভোট।অন্যদিকে, ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী সমীরণ দেওয়ান পেয়েছেন ৫২ হাজার ৮৭৯ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৬২১ ভোট। ফলাফল গণনা শেষে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূইয়া।
ফেনী
ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) আসনে ১২১টি ভোটকেন্দ্রের সব কটি মিলিয়ে বিএনপি প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৯০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম কামাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭১৫ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৪৯টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৪৫৮টি।
ফেনী-২ (ফেনী সদর) আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি ১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৮ ভোট। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩২টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৭২ হাজার ৫৩৩টি।
ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে ১৬১টি ভোটকেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ১ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ১৬০ ভোট। এই আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৩২১টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ১৪টি।
নোয়াখালী
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন এক লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছাইফ উল্যাহ (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক ধানের শীষ প্রতীকে ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া (শাপলা কলি) পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪১ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বোরহান উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪১ ভোট।
নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শাহজাহান দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।
নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৪৫৩ ভোট।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।
লক্ষ্মীপুর
লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শাহাদাত হোসেন সেলিম। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৬ হাজার ৮১১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির মাহবুব আলম পেয়েছেন ৫৯ হাজার ২৬৫ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের জাকির হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ১১ হাজার ১৫৬ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আবুল খায়ের ভুঁইয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রুহুল আমিন ভুঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৯৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের হেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৭৪ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮০২ ভোট। ইসলামী আন্দোলনের মো. ইব্রাহীম পেয়েছেন ৫ হাজার ৫১ ভোট।
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজাম। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ আর হাফিজ উল্লাহ পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট। জেএসডির তানিয়া রব ২২ হাজার ৪০ ভোট ও ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ২১ হাজার ১০৩ ভোট পেয়েছেন।
কুমিল্লা
কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা)- এই আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাউদকান্দি উপজেলা জামায়াতের আমির মনিরুজ্জামান বাহালুল পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৬ হাজার ৫৯৫।
কুমিল্লা-২ (হোমনা- তিতাস)- এই আসনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (কুমিল্লা বিভাগ) অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূইয়া ৭৭ হাজার ৩৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১৩ হাজার ৯৯২।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর)- এই আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দলটির কুমিল্লা উত্তর জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হাকিম সোহেল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯৯ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৯ হাজার ৬৯২ ভোট।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার)- এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-(এনসিপির) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৯৮।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া)- এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। এখানে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মোবারক হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ১০ হাজার ১৬৯। ভোট ব্যবধান ৯ হাজার ৯৩৮।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ)- এই আসনে ২ লাখ ১হাজার ৭০৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মনিরুল হক চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৫১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৮১ হাজার ৮৫৫।
কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা)- এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন দলের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আতিকুল আলম শাওন। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. রেদোয়ান আহমেদ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৯ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৩ হাজার ১৮১।
কুমিল্লা-৮ (বরুড়া)- এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. মো. শফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ভোট। ভোটের ব্যবধান ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৭।
কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ)- এই আসনে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক মো. আবুল কালাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫১ হাজার ৪৭।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই)- এই আসনে আসনে বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূইয়া ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইয়াসিন আরাফাত পেয়েছেন ১লাখ ২৩ হাজার ৭৩৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৩৯ হাজার ৯৩৪।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম)- এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. কামরুল হুদা পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৬৩৮ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫৬ হাজার ৬৭০।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী এম.এ. হান্নান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৯ হাজার ২৫৫। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন। পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৫৬৮ভোট। জামায়াত ইসলামের আমিনুল ইসলাম ২৪ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়েছেন। ভোট কেন্দ্র ৮১টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোট প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের এর প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তিনি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। ভোট কেন্দ্র ১৫২ টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ২ লাখ ৯ হাজার ৬৩৬। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামী ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আতাউল্লা। তিনি পেয়েছেন ৬২ হাজার ৫৪৭ ভোট। ভোট কেন্দ্র ১৯৩টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী মুশফিকুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৪২। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত ইসলামের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৭৯৬ ভোট। ভোট কেন্দ্র- ১৩১ টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র প্রার্থী এম.এ. মান্নান নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৫ হাজার ৭৬৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৫টি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী গণ সংহতি পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী মাথাল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৫ ভোট। ভোট কেন্দ্র ৯৮টি।
চাঁদপুর
চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে প্রবাসে ১টি কেন্দ্রসহ মোট ১১১টি ভোট কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী আনম এহসানুল হক মিলন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মুকবুল আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।
চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলা এবং প্রবাসে পোস্টাল মিলিয়ে মোট ভোট কেন্দ্র ১৫৬টি। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী মো. জালাল উদ্দীন বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলীয় প্রার্থী ছাতা প্রতীকের বিল্লাল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৭৩ ভোট।
চাঁদপুর-৩ সদর ও হাইমচর উপজেলা এবং প্রবাসে পোস্টাল মিলিয়ে মোট ভোট কেন্দ্র ১৬৬টি। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে কেন্দ্র ১১৮ এবং প্রবাসে পোস্টাল ১ মিলিয়ে মোট ১১৯টি কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য চিংড়ি মাছ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তারপরই বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদের প্রাপ্ত ভোট ৬৮ হাজার ২৪৪ এবং জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৬৮৬ ভোট।
চাঁদপুর-৫ হাজীপুর-শাহরাস্তি আসনের প্রবাসে ১টি পোস্টাল ভোট কেন্দ্রসহ ১৫৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। এতে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ১ লাখ ১০ হাজার ৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় জোটের এলডিপির ছাতা প্রতীকের নেয়ামুল বশির। তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৫০ ভোট।