ঢাকা বিভাগে কে কোন আসনে কতো ভোটে জয় পেলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা

ঢাকা বিভাগে কে কোন আসনে কতো ভোটে জয় পেলো, দেখুন পূর্ণাঙ্গ তালিকা
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৪২,৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ সংঘটিত হয়েছিল। একই দিনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি দেশব্যাপী গণভোটও আয়োজন করা হয়েছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।

কেন্দ্রগুলোতে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি দৃশ্যমান ছিল। প্রথমবার ভোট দেওয়া নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশে আলাদা মাত্রা যোগ করেছিল। রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে নাগরিকরা উৎসাহ নিয়ে ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছিল।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৫ জন। এর মধ্যে গণভোটে অংশ নিয়েছিলেন ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোটার। ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং ‘না’ ভোট পেয়েছিল ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। এতে স্পষ্ট ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ পক্ষ বিজয়ী হয়েছিল।

অন্যদিকে সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করেছিল। জামায়াত জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৭টি এবং অন্যান্যরা ১টি আসনে বিজয় অর্জন করেছিল।

নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের এই অভিজ্ঞতা দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল, যেখানে ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জনরায় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ নির্ধারণে ভূমিকা রেখেছিল।

 

ঢাকা বিভাগের জেলাসমূহ

 

ঢাকা


ঢাকা-১: এই আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।

ঢাকা-২:এ আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।

ঢাকা-৩:ঢাকা-৩ আসনে বেসরকারি ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

ঢাকা-৪:এ আসনে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা-৫:ঢাকা-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নবী উল্লাহকে হারিয়েছেন। কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট এবং নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।

ঢাকা-৬:এই আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৭:১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ, হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৮:ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-৯:এ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা (ফুটবল) পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।

ঢাকা-১০:ঢাকা-১০ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। শেখ রবিউল আলম পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট এবং জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।

ঢাকা-১১:এ আসনে ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।

ঢাকা-১২:বিএনপি জোটের প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩,৭৭৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী (বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি) সাইফুল হক (কোদাল) পেয়েছেন ৩০,৯৬৩ ভোট।

ঢাকা-১৩:ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। ববি হাজ্জাজ ২ হাজার ৩২০ ভোটে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-১৪:এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা-১৫:ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩,৫১৭ ভোট। শফিকুর রহমান ২১ হাজার ৬১৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা-১৬:এ আসনে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট এবং তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

ঢাকা-১৭:বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।

ঢাকা-১৮:এনসিপির প্রার্থীকে ৩৩ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার৭১৫ ভোট। এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।

ঢাকা-১৯:এ আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকার ২০:ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এনসিপি প্রার্থী নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।


গাজীপুর


গাজীপুর-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ৮ হাজার ৬৮৮টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহ আলম বকশী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৫৩টি ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৫৮০টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৮ হাজার ৯৯১টি।

গাজীপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনি জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৬ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলী নাছের খান শাপলাকলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৯৫০ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬৭টি। আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮৪ হাজার ৯৭৬টি।

গাজীপুর-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ধানের শীষ প্রতীকে জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৪৩ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিশের প্রার্থী মুহাম্মদ এহসানুল হক রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৩৯ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৫টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৮০ হাজার ২৬৬টি।

গাজীপুর-৪ (কাপাসিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সালাহউদ্দিন আইউবি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১ হাজার ৭৭৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৩৯০ ভোট।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৪৩টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৫৮ হাজার ৯৮টি।

গাজীপুর-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৭৮ হাজার ১২৩ ভোট পেয়েছেন।এ আসনে গণভোটে ‘হ্যা’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৪৮টি আর ‘না’ ভোট পড়েছে ৭৮ হাজার ৭১টি।


নারায়ণগঞ্জ


নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) রূপগঞ্জ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া (দিপু) ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদন্দ্বী জামায়াতে ইসলামির আনোয়ার হোসেন মোল্লা পেয়েছেন ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ। মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবারই তিনি প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আড়াইহাজার আসনে বিএনপির নজরুল ইসলাম আজাদ ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ইলিয়াস মোল্লা পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৮৭ ভোট। এ আসনে ভোটের হার ছিল ৬৫ শতাংশ। নজরুল ইসলাম আজাদ বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনিও প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) এই আসনে বিএনপির আজহারুল ইসলাম (মান্নান) ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের জামায়াতে ইসলামীর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট। এখানে ভোটের হার ছিল ৫৭ দশমিক ৪১ শতাংশ। আজহারুল ইসলাম মান্নান বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য। এবারই তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার একাংশ) এ আসনে ১১-দলীয় জোটের জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী আবদুল্লাহ আল আমিন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন শরিক দলের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমী পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট। আবদুল্লাহ আল আমিন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব। এবারই তিনি প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) এ আসনে বিএনপির আবুল কালাম ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৬ ভোট। ভোটের হার ছিল ৫৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। আবুল কালাম এ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি।

নরসিংদী

নরসিংদী-১ (সদর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১৬০৬৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২৯৩০ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৮.৮২ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৫২ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামী মো. আমজাদ হোসাইন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১৬৮ ভোট। এনসিপির গোলাম সারোয়ার (সারোয়ার তুষার) শাপলা কলিতে পেয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৬ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৫ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহী। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮১ হাজার ৪১৫ ভোট ও তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুল ইসলাম মৃধা হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪০১ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৬১ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সরদার সাখাওয়াত হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৯১২ ভোট। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৪৫ ভোট। আসনটিতে ভোট দিয়েছেন ৫৩.০৬ শতাংশ ভোটার।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সহ-সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৫১২ ভোট। তার নিকটতম তাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৬৮২ ভোট ও মো. বদরুজ্জামান উজ্জ্বল (হাতপাখা) ৩২৫৮২ ভোট। আসনটিতে ভোট প্রয়োগ করেছেন ৪৯.০৫ শতাংশ ভোটার।

মুন্সীগঞ্জ


মুন্সীগঞ্জ‑১ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ আব্দুল্লাহ ধানের শীষ প্রতীকে ১,৬৭,৫৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এবিকে এম ফখরুদ্দিন রাজি ১,০১,৫৬৮ ভোট পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ‑২ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুস সালাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে ১,২১,১৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল সিন্টিজেন পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম ৫৮,৫৭৩ ভোট পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ‑৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ কামরুজ্জামান (রাতন) ধানের শীষ প্রতীকে ১,২৪,৬৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মহিউদ্দিন (ফুটবল প্রতীক) ৮৮,৯৩৬ ভোট পেয়েছেন।

 

মানিকগঞ্জ

মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয়) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক পেয়েছেন ৭৭ হাজার ৮১৮ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর, হরিরামপুর, সদর আংশিক) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন পেয়েছেন ৮১ হাজার ৫৩১ ভোট।

মানিকগঞ্জ-৩ (মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম পেয়েছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ সাইদনূর পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২৪২ ভোট।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহেল কাফি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮১ ভোট। মোট ১৪৮টির মধ্যে ১৪৮টিরই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫১৬ ভোট। মোট ১৩৮টির মধ্যে ১৩৮টি কেন্দ্রেরই ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে ৯০ হাজার ৭৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৯ ভোট। মোট ১২২টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন ধানের শীষ প্রতীকে ৯১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭৪ ভোট। মোট ১১৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাহউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আহসান হাবিব মাসুদ পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৫১৫ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৭২৮ ভোট।
মোট ১৩০টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম আব্দুল হামিদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯০৪ ভোট। মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪১ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭০ হাজার ৫১ ভোট। মোট ১২৬টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল-৮ (সখিপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেল হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৭৩ ভোট। মোট ১৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩১টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মাজহারুল ইসলাম এক লাখ ২৪ হাজার ৩৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী পেয়েছেন এক লাখ এক হাজার ১৩২ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদী) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে জালাল উদ্দিন এক লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম মোড়ল পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯৭৫ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে বিএনপির এম ওসমান ফারুক এক লাখ ১২ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জেহাদ খান পেয়েছেন এক লাখ দুই হাজার ৪৭৬ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এক লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮২৯ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস প্রতীকে ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব ও কুলিয়ারচর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মো. শরীফুল আলম এক লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিশের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।

ফরিদপুর

ফরিদপুর-১ আসনে মোট ১৯৭টি কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লা (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ ভোট। এ আসনে ড. ইলিয়াস মোল্লা বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-২ আসনে মোট ১১৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৭টির ফলাফল পাওয়া গেছে। বিএনপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আকরাম আলী (রিকশা) পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৪ ভোট। এ আসনে শামা ওবায়েদ বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-৩ আসনে মোট ১৫৪টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল পাওয়া গেছে। বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৪৪৯ ভোট। পোস্টাল ভোট ব্যতীত প্রাপ্ত ফলাফলে চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বিজয়ী হয়েছেন।

ফরিদপুর-৪ আসনে মোট ১৮৯টি কেন্দ্রের ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৩২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সরোয়ার হোসাইন (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬২৩ ভোট। পোস্টাল ভোট ব্যতীত প্রাপ্ত ফলাফলে শহিদুল ইসলাম বাবুল বিজয়ী হয়েছেন।

গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী একাংশ) এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদুপুর বিভাগ) মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭১ হাজার ৫৭৯ ভোট।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. কাবির মিয়া ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৪ ভোট। তিনি কারাবন্দি থেকেই নির্বাচনে অংশ নেন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই আসনে কাবির মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ফারুক খানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই আসনে টানা ৬ বার সংসদ সদস্য ছিলেন মুহাম্মদ ফারুক খান।

গোপালগঞ্জ-২ (সদর ও কাশিয়ানী একাংশ) এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির তৃণমূল থেকে উঠে আসা ডা. কে এম বাবর আলী। পেশায় চিকিৎসক বাবর আলী গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান জেলা আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। ধানের শীষ প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৪০ হাজার ৪৮।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু হরিণ প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট। বীর মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জু গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছেন। এই আসনে ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বার সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) ইতিহাস গড়ে এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী। টুঙ্গিপাড়ার সন্তান জিলানী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভূমির এই আসনে ১৯৮৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বার নির্বাচিত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মাদারীপুর

মাদারীপুর-১ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাইদ উবিন আহমাদ হানজালা রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরী পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট।

মাদারীপুর-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ্য পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট।

মাদারীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার পেয়েছেন ৯৬ হাজার ১২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা রফিকুল ইসলাম ৮৪ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়েছেন।

রাজবাড়ী

রাজবাড়ী-১ (সদর ও গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপির প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম ১ লাখ ১ হাজার ৯২ ভোট পেয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী ৫৩ হাজার ৪৪৯ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়াও জাকের পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস গোলাপ ফুল প্রতীকে ৮ হাজার ৮৭ ভোট ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী খোন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু লাঙ্গল প্রতীকে ২ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়েছেন।

রাজবাড়ী‑২ (পাংশা–কালুখালী–বালিয়াকান্দি) আসনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ হারুন‑অর‑রশিদ ধানের শীষ প্রতীকে ২,৩৭,২৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী জামিল হিজাযী ৬৭,২৯৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ নাসিরুল হক সাবু (কলস) ৩৬,৩৩৮ ভোট পেয়েছেন।

শরীয়তপুর

শরীয়তপুর-১ আসনে ৭৭ হাজার ৩৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬২ হাজার ৭১৭ ভোট।

শরীয়তপুর-২ আসনে জয় লাভ করেছেন ধানের শীষ প্রতীকের শফিকুর রহমান কিরণ। বিএনপির এই প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৮১৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মাহমুদ হোসেন বাকাউল পেয়েছেন ৭০ হাজার ৮৯২ ভোট।

শরীয়তপুর-৩ আসনে ১ লাখ ৭ হাজার ৫১৬ ভোট পেয়ে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম ভোট পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৪টি।


সম্পর্কিত নিউজ