{{ news.section.title }}
একলাফে কমল ভরি প্রতি ২৫ হাজার টাকা, দেখুন স্বর্ণের নতুন দাম
সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ২৫ হাজার টাকা। স্বর্ণের এই বিশাল দরের পতনের বিষয়ে তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে সোনার নতুন দর ঘোষণা করেছে। নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী আজ সকাল ১০টা থেকে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকায়।
আজকের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম বাজুস ঘোষিত সর্বশেষ দর অনুযায়ী দেশের বাজারে বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম হলো -
২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৬২২৬৫ টাকা
২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,৫০৩৬৮ টাকা
১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২,১৪৬১৮ টাকা
সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,৬৯,৬৫৩ টাকা
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা সোনার দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। গত ১১ই মার্চ স্বর্ণের দাম কত ছিল নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার আগে অর্থাৎ গতকাল দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেশি ছিল। ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ছিল প্রায় ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৬২ টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ভরিতে ২৫ হাজার টাকা কমানো হয়েছে। কয়েকদিন আগের বাজার পরিস্থিতি গত সপ্তাহজুড়ে স্বর্ণের বাজারে ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার প্রভাবে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দর বাড়তে থাকে এবং তা ২ লাখ ৬০ হাজার টাকার ওপরে অবস্থান করে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে দামের কিছুটা পতন এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দর কমে যাওয়ায় আবারও দাম সমন্বয় করা হয়েছে। কেন ওঠানামা করছে স্বর্ণের দাম স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের পরিবর্তন, ডলারের বিনিময় হার এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য - এই তিনটি বিষয় দেশের স্বর্ণের দামের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। বিশ্ববাজারে দর কমা-বাড়ার প্রভাব খুব দ্রুতই স্থানীয় বাজারে পড়ে। পাশাপাশি সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব বিশ্ববাজারেও দামের পতনের ধারা দেখা যাচ্ছে।
GoldPrice.org এর তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪,৭৫৩ ডলারে নেমে এসেছে, যা আগের দিন ৫ হাজার ডলারের ওপরে ছিল। ক্রেতাদের ওপর প্রভাব স্বর্ণের দামে ঘন ঘন পরিবর্তনের কারণে সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা দোটানায় রয়েছেন। বিশেষ করে বিয়ে বা উৎসব উপলক্ষে যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তারা বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদুল ফিতর ও বিয়ের মৌসুম সামনে থাকায় চাহিদা বাড়তে পারে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলে দেশের বাজারেও দামের ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
বাজার পর্যবেক্ষণে বাজুস স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বেশ সংবেদনশীল। তাই বাজুস নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী দাম সমন্বয় করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতেও স্বর্ণের দামে ওঠানামা থাকতে পারে।