{{ news.section.title }}
চিকিৎসক সংকটে চরম বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর হাসপাতালের রোগীরা
- Author, মো: বারকাতুল্লাহ (ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি)
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা, ভোগান্তিতে পড়ছেন উপজেলার হাজারো সাধারণ মানুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, অনুমোদিত পদের তুলনায় এখানে একাধিক চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েই জেলা সদর কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে হচ্ছে।
এতে সময় ও অর্থ দুই দিক থেকেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন রোগীরা। রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। জরুরি বিভাগেও পর্যাপ্ত চিকিৎসক না থাকায় অনেক সময় সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন। স্থানীয়দের মতে, হরিপুর উপজেলার জনসংখ্যা ও চাহিদার তুলনায় এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংখ্যা একেবারেই অপ্রতুল।
দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটিতে সরকারি চিকিৎসকের সংখ্যা রয়েছে ১৯টি। এরমধ্যে কাগজে কলমে ৫ জন কর্মরত থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সহ মাত্র ৩ জন। ১৪ জন ডাক্তারের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। ৩ জন ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। অপরদিকে গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
গর্ভবতী মায়েদের প্রসূতির জন্য বিনামূল্যে ডিএসএফ'র কার্যক্রম চালু থাকলেও হাসপাতালে গাইনী ও এ্যানেস্থেশিয়া কোন ডাক্তার না থাকায় প্রায় প্রতিদিন এসব রোগীকে সিজারের জন্য বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের হয়রানির শিকার ও বাড়তি খরচে পড়তে হয়। এছাড়াও শিশু ডাক্তার না থাকায় এলাকার শিশুরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দূর-দূরান্তথেকে মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য আসে কিন্তু সন্তোষজনক চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যায়।
হরিপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, ডাক্তার সংকটের কারণে রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাই আরো ডাক্তারের প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে শিগগিরই নতুন চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে। এদিকে সচেতন মহল দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগসহ স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটিতে সরকারি চিকিৎসকের সংখ্যা রয়েছে ১৯টি। এরমধ্যে কাগজে কলমে ৫ জন কর্মরত থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সহ মাত্র ৩ জন। ১৪ জন ডাক্তারের পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। ৩ জন ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। অপরদিকে গরিব, অসহায় ও সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা ও সু-চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
গর্ভবতী মায়েদের প্রসূতির জন্য বিনামূল্যে ডিএসএফ'র কার্যক্রম চালু থাকলেও হাসপাতালে গাইনী ও এ্যানেস্থেশিয়া কোন ডাক্তার না থাকায় প্রায় প্রতিদিন এসব রোগীকে সিজারের জন্য বাইরে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের হয়রানির শিকার ও বাড়তি খরচে পড়তে হয়। এছাড়াও শিশু ডাক্তার না থাকায় এলাকার শিশুরা চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দূর-দূরান্তথেকে মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য আসে কিন্তু সন্তোষজনক চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যায়।
হরিপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আসাদুজ্জামান বলেন, ডাক্তার সংকটের কারণে রোগীর চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাই আরো ডাক্তারের প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে শিগগিরই নতুন চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে। এদিকে সচেতন মহল দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগসহ স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন