হিলি বন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত ৪৮ হাজার টন চাল আমদানি

হিলি বন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত ৪৮ হাজার টন চাল আমদানি
ছবির ক্যাপশান, হিলি বন্দর দিয়ে শুল্কমুক্ত ৪৮ হাজার টন চাল আমদানি
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
  • লেখক, Muhammad Qutayba

দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে শুল্কমুক্ত চাল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, গত ১২ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বন্দরে মোট ১ হাজার ১৩৬ ট্রাকে ৪৮ হাজার ৪৭১ টন চাল আমদানি হয়েছে। শুরুতে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ ট্রাক চাল আসলেও বর্তমানে চাহিদা বৃদ্ধির কারণে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ ট্রাক চাল দেশে প্রবেশ করছে।

আমদানির ফলে চালের বাজারে ইতোমধ্যে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। হিলি বন্দরে সম্পা কাটারি, মিনিকেট, ৪০/৯৪ এবং স্বর্ণা-৫ জাতের চাল আমদানি হচ্ছে। আমদানির প্রথম দিকে প্রতি কেজি সম্পা কাটারি বিক্রি হচ্ছিল ৭০ টাকায়, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকায়। ৪০/৯৪ জাতের চাল ৬০ টাকা থেকে নেমে এসেছে ৫৭ টাকায়, আর স্বর্ণা-৫ জাতের মোটা চাল ৫২ টাকার পরিবর্তে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, আমদানির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাজারে চালের দাম আরও কমবে।

চাল কিনতে ঢাকার ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ বলেন, হিলি বন্দরের চালের মান ভালো এবং দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকায় এখান থেকে বিপুল পরিমাণ চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। গত কয়েক দিনে তিনি প্রায় দুই হাজার টন চাল কিনেছেন। নাটোর থেকে আসা আরেক ব্যবসায়ী মামুন জানান, এই বন্দরে চাল কেনাকাটা সহজ এবং ঝামেলাহীন, কারণ ট্রাক সারিবদ্ধ অবস্থায় থাকায় সরাসরি মান যাচাই করে ক্রয় করা সম্ভব।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক নুর ইসলাম বলেন, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পর থেকে নিয়মিত চাল আমদানি হচ্ছে। এর ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণে আসছে এবং দাম প্রতি কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা কমেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অন্যান্য বন্দরে অনুমোদিত চাল প্রবেশ করলে দাম আরও কমবে।

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা এমআর জামান বাঁধন জানান, শুল্কমুক্ত চাল দ্রুত ছাড়করণে ব্যবসায়ীদের সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা শুধু ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর পরিশোধ করেই চাল খালাস করতে পারছেন।


সম্পর্কিত নিউজ