চবি এইচআরডিএস'র বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপন

চবি এইচআরডিএস'র বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উদযাপন
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
  • লেখক, Md Ibrahim Sakib

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাখা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটি (এইচআইডিএস) এর উদ্যোগে র‍্যালির মাধ্যমে 'বিশ্ব মানবাধিকার দিবস ২০২৫' উদযাপন করা হয়েছে।

বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়। 

র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে শুরু হয়ে কাটা পাহাড় প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার এসে থামে। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন, ছাত্র উপদেষ্টা ড. মো. আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেন, চাকসুর ছাত্রী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা,  হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির চবি শাখার আহ্বায়ক তামীম আহমেদ শরীফ, সদস্য সচিব মহসিনসহ এইচআইডিএস'র স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।

হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটির চবি শাখার আহ্বায়ক তামীম আহমেদ শরীফ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ১৯৪৮ সালে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস স্বীকৃত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়। এরই প্রেক্ষিতে আমরা দেখি যে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয় এমন সব বিষয়ে  জাতিসংঘের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনাইটেড ন্যাশনসের পক্ষ থেকে আমরা হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার সোসাইটি র‍্যালির আয়োজন করেছি।"

সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, মানবাধিকার আইন জাতিসংঘে গৃহীত হওয়ার পর আমরা মনে করেছিলাম জাতিগত নিধন, যুদ্ধ, হানাহানি, বৈষম্য, রাষ্ট্রের প্রতি রাষ্ট্রের যে অন্যায় সেগুলো বন্ধ হবে কিন্তু সেগুলো বন্ধ হয়নি। বিশ্ব মোড়লরা কর্তৃত্ব বজায় রাখার জন্য বছরের পর বছর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।" 

চাকসুর ছাত্রী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নাহিমা আক্তার দ্বীপা বলেন, "আমরা দেখতে পাই প্রতিবছর অসংখ্য জায়গায় মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।  আমাদের পরিবেশ পরিস্থিতি এমন হয়ে গেছে যে মানুষের যখন যে অধিকার প্রয়োজন সেটি পাচ্ছে না। আমরা চাই প্রত্যেকটা মানুষ যে ন তার সুক্ষ্ম সুক্ষ্ম মানবাধিকারগুলো পায়।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, "আমরা শুধু ১০ ডিসেম্বর যখন আসে তখনই কথা বলি। এখানে আমরা যারা উপস্থিত হয়েছি তারা যদি মানবাধিকার  প্রতিষ্ঠা করতে চাই সকলকে মানবিক হতে হবে। আমরা যদি ভয় পাই তাহলে হবেনা। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজেদের জায়গা থেকে কথা বলি তাহলে আমাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা হবে।"

সম্পর্কিত নিউজ