{{ news.section.title }}
কৃষক পরিবারের সন্তান অদম্য শাহাদাত: চবির পর ঢাবিতেও বাজিমাত
- Author, মো: বারকাতুল্লাহ (ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি)
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
ভূমিহীন কৃষক পরিবারে জন্ম নেওয়া অদম্য শাহাদাত হোসেন তিন ভাইসহ পাঁচ সদস্যের পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ। জরাজীর্ণ এই পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস অন্যের জমিতে কৃষিশ্রম। নিত্যদিনের জীবনযুদ্ধে যেখানে দুবেলা দুমুঠো খাবার জোগাড় করাই কঠিন, সেখানে পড়াশোনার খরচ চালাতে গিয়ে বাবাকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হয়েছে। এমন টানাপোড়েনের মধ্যেই অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মেধাবী এই শিক্ষার্থী।
মোঃ শাহাদাত হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ৩নং বকুয়া ইউনিয়নের কাশুয়াপাড়া গ্রামের মোঃ একরামুল হকের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। শাহাদাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় তিনি বি ইউনিটে মেধা তালিকায় ৪৬৫তম এবং ডি ইউনিটে ১৭৭৩তম স্থান অর্জন করেন। পাশাপাশি সদ্য প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ইউনিটের ফলাফলে ১৩৭৮তম স্থান অর্জন করে নিজের মেধার স্বাক্ষর রাখেন তিনি।
নিজের সাফল্য সম্পর্কে শাহাদাত বলেন, “আমার এই ফলাফল সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার অশেষ করুণা। পাশাপাশি আমার মা-বাবার দোয়া এবং বড় দুই ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতার ফল।” তিনি আরও বলেন, “আমি আমার শিক্ষকবৃন্দ ও ফোকাস পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তারাও আমার এই সাফল্যের অন্যতম সহযাত্রী।” এছাড়াও তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, “যেন উচ্চশিক্ষা অর্জন করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি।”
শাহাদাতের এই সাফল্যে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তারা জানান, ছোটবেলা থেকেই শাহাদাত অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী ও পরিশ্রমী। ভবিষ্যতেও তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তারা।
এদিকে শাহাদাতের বাবা মোঃ একরামুল হক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমি একজন সাধারণ কৃষক। চাষাবাদ ও কৃষিশ্রমই আমাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। অনেক কষ্ট করে সংসার চালাই। সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ—শাহাদাতের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে দেশ ও মানুষের উপকার করতে পারে।”
অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও অটল বিশ্বাসের মাধ্যমে শাহাদাত তার উপজেলার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণায় পরিণত হবেন।
নিজের সাফল্য সম্পর্কে শাহাদাত বলেন, “আমার এই ফলাফল সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার অশেষ করুণা। পাশাপাশি আমার মা-বাবার দোয়া এবং বড় দুই ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহযোগিতার ফল।” তিনি আরও বলেন, “আমি আমার শিক্ষকবৃন্দ ও ফোকাস পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। তারাও আমার এই সাফল্যের অন্যতম সহযাত্রী।” এছাড়াও তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, “যেন উচ্চশিক্ষা অর্জন করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি।”
শাহাদাতের এই সাফল্যে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। তারা জানান, ছোটবেলা থেকেই শাহাদাত অত্যন্ত মেধাবী, বিনয়ী ও পরিশ্রমী। ভবিষ্যতেও তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন তারা।
এদিকে শাহাদাতের বাবা মোঃ একরামুল হক আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমি একজন সাধারণ কৃষক। চাষাবাদ ও কৃষিশ্রমই আমাদের পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। অনেক কষ্ট করে সংসার চালাই। সবার কাছে আমার একটাই অনুরোধ—শাহাদাতের জন্য দোয়া করবেন, যেন সে উচ্চশিক্ষা অর্জন করে দেশ ও মানুষের উপকার করতে পারে।”
অদম্য ইচ্ছাশক্তি, কঠোর পরিশ্রম ও অটল বিশ্বাসের মাধ্যমে শাহাদাত তার উপজেলার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণায় পরিণত হবেন।