{{ news.section.title }}
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ফেরদৌস শেখ জকসুতে লড়বেন সমাজসেবা পদে।
জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ ফেরদৌস শেখ জকসুতে লড়বেন সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে। ছাত্রশক্তি সমর্থিত "ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান" প্যানেল থেকে তিনি এই পদে নির্বাচন করবেন। তিনি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছাড়াও ক্যাম্পাস সংশ্লিষ্ট সকল আন্দোলন সংগ্রামে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আগষ্টের আগে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ বঙ্গের বন্যায় সক্রিয় ভূমিকা, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিসি নিয়োগ এর আন্দোলনে অগ্রগামী ভূমিকা পালন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে প্রথম অনশন আন্দোলন এর ডাক দেওয়া, জবি সংস্কার আন্দোলন এর মাধ্যমে ২টি হলের জায়গা উদ্ধার করা যেখানে এখন হল নির্মাণাধীন, লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, বাস ইত্যাদি তে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা,
সচিবালয় ঘেরাও আন্দোলনে সংগঠক হিসেবে কাজ করা, যমুনা আন্দোলনে মূল সংগঠক হিসেবে কাজ করা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত যোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন ভাবে কাজ করার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সবার পরিচিতি মুখ হয়ে উঠেন তিনি।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, "সব সময় শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় শিক্ষক ও কিছু মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয়েছে। যেখানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতারা লিয়াজু করে চলেছে।
জুলাই কে ব্যবহার করে অনেকেই নানা অপকর্মে জড়িত হলেও মহান আল্লাহর রহমতে এমন কোন কাজে লিপ্ত হইনি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও হবো না।"
তিনি আরও বলেন, "সব সময় সকলের বিপদে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে।
আমি সব সময় শিক্ষার্থীদের স্বার্থ কে প্রধান্য দিয়ে কাজ করেছি। কোন প্রকার প্রশাসনের সাথে লিয়াজু করে চলিনি ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও করবো না।"
আগষ্টের আগে ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ বঙ্গের বন্যায় সক্রিয় ভূমিকা, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভিসি নিয়োগ এর আন্দোলনে অগ্রগামী ভূমিকা পালন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীকে দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে প্রথম অনশন আন্দোলন এর ডাক দেওয়া, জবি সংস্কার আন্দোলন এর মাধ্যমে ২টি হলের জায়গা উদ্ধার করা যেখানে এখন হল নির্মাণাধীন, লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, বাস ইত্যাদি তে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা,
সচিবালয় ঘেরাও আন্দোলনে সংগঠক হিসেবে কাজ করা, যমুনা আন্দোলনে মূল সংগঠক হিসেবে কাজ করা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আহত যোদ্ধাদের নিয়ে বিভিন্ন ভাবে কাজ করার মাধ্যমে ক্যাম্পাসে সবার পরিচিতি মুখ হয়ে উঠেন তিনি।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, "সব সময় শিক্ষার্থীদের স্বার্থ নিয়ে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় শিক্ষক ও কিছু মানুষের বিরুদ্ধে কথা বলতে হয়েছে। যেখানে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের নেতারা লিয়াজু করে চলেছে।
জুলাই কে ব্যবহার করে অনেকেই নানা অপকর্মে জড়িত হলেও মহান আল্লাহর রহমতে এমন কোন কাজে লিপ্ত হইনি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও হবো না।"
তিনি আরও বলেন, "সব সময় সকলের বিপদে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে।
আমি সব সময় শিক্ষার্থীদের স্বার্থ কে প্রধান্য দিয়ে কাজ করেছি। কোন প্রকার প্রশাসনের সাথে লিয়াজু করে চলিনি ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও করবো না।"