{{ news.section.title }}
তিন কেন্দ্রে চবি ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা, উপস্থিতির হার প্রায় ৯১ শতাংশ
- Author, চবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী এই তিনটি কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ইউনিটে মোট ৮৭ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৯ হাজার ৪১০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। অনুপস্থিত ছিলেন ৮ হাজার ২৮৪ জন। সব মিলিয়ে ‘এ’ ইউনিটে উপস্থিতির হার ছিল ৯০ দশমিক ৫৯ শতাংশ, যা প্রায় ৯১ শতাংশ। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
কেন্দ্রভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা কেন্দ্রে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিলেন ৫৫ হাজার ৫৫০ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৯ হাজার ৭৭৩ জন, উপস্থিতির হার ৮৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। রাজশাহী কেন্দ্রে ১২ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১১ হাজার ৫৮২ জন, উপস্থিতির হার ৯০ দশমিক ৫০ শতাংশ। চট্টগ্রাম কেন্দ্রে উপস্থিতির হার ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি। এখানে ১৯ হাজার ৩৪৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৮ হাজার ৫৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন, উপস্থিতি হার ৯৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ‘এ’ ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ৯৩টি। সে হিসেবে আসনপ্রতি প্রায় ৮০ জন পরীক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এই ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ এই চারটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সায়েম নামের এক পরীক্ষার্থী জানান, প্রশ্ন মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড ছিল এবং পরীক্ষা ভালো হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আগ্রহ তাঁর দীর্ঘদিনের। সুযোগ পেলে বায়োলজিক্যাল কোনো বিষয়ে পড়তে চান। আরেক পরীক্ষার্থী তাসনিম জানান, প্রশ্ন তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞানের অংশটি বেশি চ্যালেঞ্জিং লেগেছে। তিনি বলেন, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার তুলনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ভালো লেগেছে এবং বাবার সঙ্গে এসে যাতায়াতে তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। সুযোগ পেলে তিনিও বায়োলজি বিষয়ে পড়তে আগ্রহী।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা হবে না। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে, কোনো ধরনের সামান্য ভুলের সুযোগ না রেখেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।
এদিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা। এসব গুজবে কান না দিতে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শতভাগ নিশ্চিত যে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সুনামে প্রশ্নফাঁসের কোনো নজির নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, প্রক্টোরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় তিন কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ‘এ’ ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা ১ হাজার ৯৩টি। সে হিসেবে আসনপ্রতি প্রায় ৮০ জন পরীক্ষার্থী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এই ইউনিটের আওতায় বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ এই চারটি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। সায়েম নামের এক পরীক্ষার্থী জানান, প্রশ্ন মোটামুটি স্ট্যান্ডার্ড ছিল এবং পরীক্ষা ভালো হয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার আগ্রহ তাঁর দীর্ঘদিনের। সুযোগ পেলে বায়োলজিক্যাল কোনো বিষয়ে পড়তে চান। আরেক পরীক্ষার্থী তাসনিম জানান, প্রশ্ন তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল, বিশেষ করে পদার্থবিজ্ঞানের অংশটি বেশি চ্যালেঞ্জিং লেগেছে। তিনি বলেন, ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার তুলনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ভালো লেগেছে এবং বাবার সঙ্গে এসে যাতায়াতে তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। সুযোগ পেলে তিনিও বায়োলজি বিষয়ে পড়তে আগ্রহী।
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা হবে না। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে, কোনো ধরনের সামান্য ভুলের সুযোগ না রেখেই ফল প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানান।
এদিকে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সময় বিভ্রান্তিকর তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা। এসব গুজবে কান না দিতে শিক্ষার্থীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শতভাগ নিশ্চিত যে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সুনামে প্রশ্নফাঁসের কোনো নজির নেই।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, প্রক্টোরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসনের সমন্বিত তৎপরতায় তিন কেন্দ্রেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।