{{ news.section.title }}
চবিতে ভর্তি পরীক্ষায় দুই সিটের বেঞ্চে তিনজন, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন
- Author, চবি প্রতিনিধি
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় চবি কেন্দ্রে দুই সিটের একটি বেঞ্চে তিনজন পরীক্ষার্থী বসানোর ঘটনায় পরীক্ষার পরিবেশ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে শহীদ হৃদয় চন্দ্র তরুয়া ভবনের দ্বিতীয় তলায় আরবি বিভাগের একটি পরীক্ষা কক্ষে উপাচার্যের পরিদর্শনের সময় এ চিত্র দেখা যায়। এ সময় বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানান উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন। এক বেঞ্চে তিনজন বসানো প্রসঙ্গে কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খানের উদ্দেশ্যে উপ-উপাচার্য শামীম উদ্দিন খান বলেন, “আমাদের সিট ক্যাপাসিটি আছে ২৬ হাজার। তাহলে কেন এভাবে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে?”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, এক বেঞ্চে তিনজন বসানোর বিষয়টি নতুন নয়, আগেও এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, পরীক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় এবং কেন্দ্র পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত জনবল কম থাকায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “দুইজন করে বসাতে গেলে ক্যাম্পাসে জায়গা হবে না। তখন বাইরে স্কুল-কলেজে নতুন করে কেন্দ্র দিতে হবে, এতে ইনভিজিলেশন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। এখানে তিনজন বসালেও প্রশ্নপত্র এক নয়।”
এ বিষয়ে এক অভিভাবক বলেন, দুই সিটের একটি বেঞ্চে তিনজন শিক্ষার্থী বসানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এতে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারছে কি না, নাকি কোনো অসৎ উপায় অবলম্বনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।.
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে যেন অতিরিক্ত গাদাগাদি না হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে কেন্দ্র বা কক্ষ সংখ্যা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
আরেক অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শামীম আরা চুমকি বলেন, একজন বেঞ্চে দুজন শিক্ষার্থী বসানোও যথাযথ নয়। কারণ পরীক্ষার সময় নড়াচড়া করতে হয়, সঙ্গে থাকে ফাইলপত্র। শীতকাল হওয়ায় শীতের কাপড় রাখার বিষয়ও থাকে। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় দুইজন ছেলে ও একজন মেয়ে কিংবা দুইজন মেয়ে ও একজন ছেলে এক বেঞ্চে বসে। সবাই অপরিচিত হওয়ায় এতে অস্বস্তি তৈরি হয়, যা পরীক্ষায় মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে সামরিন সাবা নামের এক পরীক্ষার্থী জানান, তিনজন একসঙ্গে বসলে গাদাগাদি হয়ে যায়, লিখতে ও মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হয়। তবে তাঁর পরীক্ষাকক্ষে শিক্ষার্থীরা আলাদাভাবে বসে পরীক্ষা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল শাহীন খান বলেন, এক বেঞ্চে তিনজন বসানোর বিষয়টি নতুন নয়, আগেও এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, পরীক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় এবং কেন্দ্র পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত জনবল কম থাকায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তিনি বলেন, “দুইজন করে বসাতে গেলে ক্যাম্পাসে জায়গা হবে না। তখন বাইরে স্কুল-কলেজে নতুন করে কেন্দ্র দিতে হবে, এতে ইনভিজিলেশন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। এখানে তিনজন বসালেও প্রশ্নপত্র এক নয়।”
এ বিষয়ে এক অভিভাবক বলেন, দুই সিটের একটি বেঞ্চে তিনজন শিক্ষার্থী বসানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এতে শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা দিতে পারছে কি না, নাকি কোনো অসৎ উপায় অবলম্বনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।.
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জানান, পরীক্ষাকেন্দ্রে যেন অতিরিক্ত গাদাগাদি না হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে কেন্দ্র বা কক্ষ সংখ্যা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
আরেক অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শামীম আরা চুমকি বলেন, একজন বেঞ্চে দুজন শিক্ষার্থী বসানোও যথাযথ নয়। কারণ পরীক্ষার সময় নড়াচড়া করতে হয়, সঙ্গে থাকে ফাইলপত্র। শীতকাল হওয়ায় শীতের কাপড় রাখার বিষয়ও থাকে। তিনি আরও বলেন, অনেক সময় দুইজন ছেলে ও একজন মেয়ে কিংবা দুইজন মেয়ে ও একজন ছেলে এক বেঞ্চে বসে। সবাই অপরিচিত হওয়ায় এতে অস্বস্তি তৈরি হয়, যা পরীক্ষায় মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে সামরিন সাবা নামের এক পরীক্ষার্থী জানান, তিনজন একসঙ্গে বসলে গাদাগাদি হয়ে যায়, লিখতে ও মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা হয়। তবে তাঁর পরীক্ষাকক্ষে শিক্ষার্থীরা আলাদাভাবে বসে পরীক্ষা দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।