{{ news.section.title }}
জবিতে 'ব্যাংকিং খাতঃ বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ' বিষয়ক লোকবক্তৃতা সেমিনার অনুষ্ঠিত
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) তে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও জবি অর্থনীতি বিভাগ কর্তৃক 'ব্যাংকিং খাতঃ বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ' বিষয়ক লোকবক্তৃতা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে ব্যাংক খাতে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে। তবে ভবিষ্যতে পারবে কিনা এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে আমাদের কিন্তু সুরক্ষার প্রয়োজন আছে। আমরা প্রপোজ করেছি যারা দেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তিত্ব তাদের মাধ্যমে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা করা। এখানে আমাদের জন্য লিখিত ভাবে সম্মানজনক একটা স্যালারির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আরেকটি কার্যক্রম হচ্ছে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়া। টেকনোলজি ব্যাবহার করে এটা করার মাধ্যমে আমারা আমাদের খরচ অনেক কমিয়ে আনতে পারবো। আমরা যদি ক্যাশলেশ বাংলাদেশ গরতে চাই তাহলে আমাদের দোকানদার, রিক্সাওয়ালা সহ সবাইকে ক্যাশলেস এর আওতায় আনতে হবে। আমরা স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকেও ক্যাশলেস এর আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তাদের জন্য ব্যাংক একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করেছি আমরা। রেমিট্যান্সের মাধ্যমে গ্রামের অর্থনীতি বর্তমানে অনেক চাঙ্গা হয়ে গেছে। দেশে ক্যাশলেশ অর্থনীতি ব্যবস্থার মাধ্যমে একটা পরিবর্তন আসতেই হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।
সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ্ বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে আলোচনা করতে গেলে পলিটিকাল ইকোনমি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ যেদিন থেকে স্বাধীন হলো সেদিন বিকেল থেকেই দস্যুতার শুরু। একটিপক্ষ সেদিন থেকেই বিহারিদের বাড়ি-গাড়ি দখল করতে থাকলো। এখন শুধু বাড়ি গাড়ি না, এখন ব্যাংকও দখল হচ্ছে। এই ব্যাংকগুলো দখলের পিছনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটা সমর্থন ছিলো। এটা যদি না থাকতো তাহলে আমরা একটি ভালো ব্যাংকিং সিস্টেমের মাঝে থাকতে পারতাম।
সেমিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এ ধরনের লোকবক্তৃতা ও একাডেমিক সম্মিলন দেশ পরিচালনা ও নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিগত সময়ে দেশের অর্থনীতি এবং বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত যে নাজুক অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছে, তা দেশের জনগণ ধীরে ধীরে অনুধাবন করতে পারছে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে এর ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সেমিনারে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অতীতে ব্যাংক খাতে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে। তবে ভবিষ্যতে পারবে কিনা এটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে আমাদের কিন্তু সুরক্ষার প্রয়োজন আছে। আমরা প্রপোজ করেছি যারা দেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তিত্ব তাদের মাধ্যমে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা করা। এখানে আমাদের জন্য লিখিত ভাবে সম্মানজনক একটা স্যালারির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের আরেকটি কার্যক্রম হচ্ছে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়া। টেকনোলজি ব্যাবহার করে এটা করার মাধ্যমে আমারা আমাদের খরচ অনেক কমিয়ে আনতে পারবো। আমরা যদি ক্যাশলেশ বাংলাদেশ গরতে চাই তাহলে আমাদের দোকানদার, রিক্সাওয়ালা সহ সবাইকে ক্যাশলেস এর আওতায় আনতে হবে। আমরা স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকেও ক্যাশলেস এর আওতায় আনার চেষ্টা করছি। তাদের জন্য ব্যাংক একাউন্ট খোলার ব্যবস্থা করেছি আমরা। রেমিট্যান্সের মাধ্যমে গ্রামের অর্থনীতি বর্তমানে অনেক চাঙ্গা হয়ে গেছে। দেশে ক্যাশলেশ অর্থনীতি ব্যবস্থার মাধ্যমে একটা পরিবর্তন আসতেই হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।
সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ্ বলেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত নিয়ে আলোচনা করতে গেলে পলিটিকাল ইকোনমি নিয়ে আলোচনা করতে হবে। বাংলাদেশ যেদিন থেকে স্বাধীন হলো সেদিন বিকেল থেকেই দস্যুতার শুরু। একটিপক্ষ সেদিন থেকেই বিহারিদের বাড়ি-গাড়ি দখল করতে থাকলো। এখন শুধু বাড়ি গাড়ি না, এখন ব্যাংকও দখল হচ্ছে। এই ব্যাংকগুলো দখলের পিছনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটা সমর্থন ছিলো। এটা যদি না থাকতো তাহলে আমরা একটি ভালো ব্যাংকিং সিস্টেমের মাঝে থাকতে পারতাম।
সেমিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এ ধরনের লোকবক্তৃতা ও একাডেমিক সম্মিলন দেশ পরিচালনা ও নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিগত সময়ে দেশের অর্থনীতি এবং বিশেষ করে ব্যাংকিং খাত যে নাজুক অবস্থার মধ্য দিয়ে গেছে, তা দেশের জনগণ ধীরে ধীরে অনুধাবন করতে পারছে। বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে এর ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সেমিনারে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।