গবেষণার জরিপ প্রকাশঃ রাজশাহী-২ সদর আসনে এগিয়ে জামায়াত

গবেষণার জরিপ প্রকাশঃ রাজশাহী-২ সদর আসনে এগিয়ে জামায়াত
  • Author, রাবি প্রতিনিধি
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ সদর আসনের ভোটারদের চিন্তা-ভাবনা’ শীর্ষক একটি গবেষণা জরিপের উপাত্ত প্রকাশ করা হয়েছে। ৮৮৯ জন ভোটারকে নিয়ে করা এই গবেষণায় ৩৩.২ শতাংশ জনগণ মনে করেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচন হলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারবেন জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির ক্ষেত্রে মনে করেন ২৫.৯ শতাংশ ভোটার।

‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ সদর আসনের ভোটারদের চিন্তা-ভাবনা’ শীর্ষক একটি গবেষণা জরিপের উপাত্ত প্রকাশ করা হয়েছে। ৮৮৯  জন ভোটারকে নিয়ে করা এই গবেষণায় ৩৩.২ শতাংশ জনগণ মনে করেন বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচন হলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পারবেন জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপির ক্ষেত্রে মনে করেন ২৫.৯ শতাংশ ভোটার।

আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীনস কমপ্লেক্সে এক সংবাদ সম্মেলনে এ উপাত্ত উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল রিসার্চ ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. জে এএম সকিলউর রহমান।

তিনি জানান, এই গবেষণায় রাজশাহী-২ আসনের ৩০টি ওয়ার্ডের প্রতিটি ভোট সেন্টার থেকে ভোটার লিস্ট অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এই গবেষণায় স্ট্রাটিফাইড রেন্ডম স্যাম্পলিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, এই জরিপে রাজশাহী-২ আসনের মোট ৮৮৯ জন ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। যেখানে পুরুষ অংশগ্রহণকারী ছিলেন ৫১.৬ শতাংশ এবং নারী ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন ৪৮.৪ শতাংশ।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনে পরিবেশ সুষ্ঠু থাকবে বলে মনে করেন ৮৫.৫ শতাংশ উত্তরদাতা, এই বিষয়ে নেতিবাচক উত্তর দিয়েছেন ১১.৭ শতাংশ এবং কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি ২.৮ শতাংশ উত্তরদাতা। আগামী নির্বাচনে ৮৪.৫ শতাংশ জনগণ ভোট প্রদানে অংশগ্রহণ করবেন, অংশগ্রহণে অনিচ্ছুক ৩.১ শতাংশ এবং কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি ১২.৪ শতাংশ জনগণ। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চান ৬৭.৯ শতাংশ, এই বিষয়টি চান না ৫.৬ শতাংশ এবং এখনো সিদ্ধান্ত নেননি ২৬.৫ শতাংশ উত্তরদাতা।

আগামীতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থন করেন ২৫.৯ শতাংশ উত্তরদাতা, জামায়াতে ইসলামীকে মনে করেন ৩৩.২ শতাংশ, অন্যান্য দলের পক্ষে ৪.৯ শতাংশ এবং এখনও সিদ্ধান্ত নেননি ৩৬ শতাংশ উত্তরদাতা।

জরিপে আরও জানানো হয়, জনগণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে ১৩.২ শতাংশ, শিক্ষায় ১৫.৯ শতাংশ, দুর্নীতি প্রতিরোধে ২৪.৬ শতাংশ, কর্মসংস্থানে ১৯.৩ শতাংশ, এবং অন্যান্য বিষয়ে ২৭ শতাংশ জনগণ অগ্রাধিকার চান।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ন্যাশনাল রিসার্চ ফোরামের সদস্য স্বপন কুমার রায় বলেন, এটি একটি স্বেচ্ছাপ্রদত্ত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এর সাথে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। আগামীতেও দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা পরিচালনা করে যাবে এই ফোরাম। গত ৫ ডিসেম্বর থেকে এই গবেষণার জরিপ শুরু হয়েছিল। এই গবেষণাটি চলমান থাকবে। আজ শুধু গবেষণাটির একটি অংশ (উপাত্ত) উপস্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন শেষে আবারও আমরা পূর্ণ গবেষণাটি উপস্থাপন করবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল রিসার্চ ফোরামের সদস্য ডা. নাজীব ওয়াদুদ। এছাড়াও রিসার্চ-এর সাথে জড়িত কয়েকজন সদস্য।


সম্পর্কিত নিউজ