{{ news.section.title }}
বর্তমান ক্যাম্পাসে নয়, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসেই হবে পূর্ণাঙ্গ মন্দির কমপ্লেক্স: জবি প্রশাসন
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান ক্যাম্পাসে মন্দির স্থাপনের কোনো জায়গা কখনোই নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে মন্দির স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্দির কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তারা।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় মন্দির স্থাপনের দাবিতে কিছু শিক্ষার্থী সম্প্রতি অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ কর্মসূচিকে ঘিরে কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত “মন্দিরের জন্য নির্ধারিত জায়গায় শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াশরুম নির্মাণ করা হচ্ছে” এমন সংবাদকে বিভ্রান্তিকর, মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উল্লেখ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
প্রশাসন আরও জানায়, বিষয়টি বিগত প্রশাসনের সময়েই একটি ‘সেটলড ইস্যু’ ছিল এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ এ বিষয়ে অবগত। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের প্রক্রিয়াধীন ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল)-তেও মন্দির কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডিপিপি অনুমোদিত হলে অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে মন্দির নির্মাণ কার্যক্রমও শুরু হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার সমানভাবে সম্মান করা হয়। প্রশাসন সর্বদা এই নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
এছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে বিভিন্ন পূজা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান যথাযথ মর্যাদায় পালন করে আসছেন বলেও জানানো হয়।
সর্বশেষ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টি বিভাগের প্রত্যেকটিতে প্রশাসনের সার্বিক আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে স্বরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং আশপাশের এলাকার বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন বলে জানান তারা।