কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম

কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। জানা গেছে তার এই পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শূন্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ। নতুন কে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ এই পদে! এ নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। তবে ৬ জন অধ্যাপকের নাম আছে সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

গতকাল শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ তম উপাচার্য ছিলেন।

উপাচার্য পদে কারা নিয়োগে পাচ্ছেন- তা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। যাতে এগিয়ে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক। এরমধ্যে থেকে একজনকে নিয়োগ দিয়ে চলতি সপ্তাহের যেকোনো সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে- এমনটাই জানা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১তম উপাচার্য হওয়ার আলোচনায় আছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান, কলা অনুষদের ডিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, সাদা দলের বর্তমান আহ্বায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।

উপাচার্যের আলোচনায় থাকা ৬ জনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষক। এদেরমধ্যে অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান ইউট্যাবের বর্তমান মহাসচিব এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির গণশিক্ষা সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবেও নেতৃত্ব দেন। অধ্যাপক লুৎফর রহমানও সাদা দলের আহবায়ক ছিলেন। অন্যদিকে বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুন আহমেদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের সভাপতিও ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ওই মাসের ২৬ তারিখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তবে সেসময় তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ফের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপনায় ফিরতে আবেদন করেছেন।কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। জানা গেছে তার এই পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শূন্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ। নতুন কে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ এই পদে! এ নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে। তবে ৬ জন অধ্যাপকের নাম আছে সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

গতকাল শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী তাকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০ তম উপাচার্য ছিলেন।

উপাচার্য পদে কারা নিয়োগে পাচ্ছেন- তা নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। যাতে এগিয়ে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ শিক্ষক। এরমধ্যে থেকে একজনকে নিয়োগ দিয়ে চলতি সপ্তাহের যেকোনো সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে- এমনটাই জানা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১তম উপাচার্য হওয়ার আলোচনায় আছেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান, কলা অনুষদের ডিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, সাদা দলের বর্তমান আহ্বায়ক ও মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান।

উপাচার্যের আলোচনায় থাকা ৬ জনেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী শিক্ষক। এদেরমধ্যে অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান ইউট্যাবের বর্তমান মহাসচিব এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির গণশিক্ষা সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।তিনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবেও নেতৃত্ব দেন। অধ্যাপক লুৎফর রহমানও সাদা দলের আহবায়ক ছিলেন। অন্যদিকে বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) মামুন আহমেদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের সভাপতিও ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ওই মাসের ২৬ তারিখ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। তবে সেসময় তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর ভারপ্রাপ্ত ভিসির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি ফের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপনায় ফিরতে আবেদন করেছেন।


সম্পর্কিত নিউজ