{{ news.section.title }}
সাংবাদিকদের সম্মানে ইসলামী ঢাবি ছাত্রশিবিরের ইফতার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা।
আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার টিচার্স লাউঞ্জে এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।
এ সময় ইসলামি ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর সভাপতি আবু সাদিক কায়েম, ঢাবি শাখা শিবির সভাপতি ও ডাকসুর এজিএস মু. মহিউদ্দিন খান, ঢাবি শিবিরের সেক্রেটারি আশিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন খান, অফিস সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সাহিত্য ও ক্রিয়া সম্পাদক মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহির নেতৃত্বে সাংবাদিক সমিতির সদস্যবৃন্দ এই ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সম্মানে ফ্যাসিবাদী সময়ে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো। আমি ২০১৭ সালে এই ক্যাম্পাসে এসেছি। তখন থেকে দেখে আসছি শিক্ষার্থীদের যে কোন প্রয়োজনে সাংবাদিক সমিতি পাশে ছিলো।
তিনি আরও বলেন, গত জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিশেষ করে নয় দফার প্রচারে সাংবাদিকদের ঋণ কখনো পরিশোধ করা যাবে না। আমরা আশা করি বিগত সময়ে সাংবাদিক সমিতি যেভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো সামনেও এভাবে পাশে থাকবে।
তিনি বলেন, ডাকসু যতদিন আছে ততদিন ক্যাম্পাসে গণরুম-গেস্টরুম, ফাও খাওয়া, চাঁদাবাজি ফেরত আসতে পারবে না। সাংবাদিক সমিতি এতে অগ্রনী ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।
ডাকসু ভিপি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮০০ কোটি টাকার একটা মেগা প্রকল্পের কাজ চলমান। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে মৌলিক সমস্যা আবাসন সমস্যা সেটা অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু প্রশাসনের একটা অংশ চাচ্ছে এই প্রকল্প যাতে বাস্তবায়ন না হয়। তারা এই টাকা অন্য খাতে ব্যয় করতে চাচ্ছে। আমরা ডাকসুর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবো যাতে এই প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হয়। একইসাথে সাংবাদিক সমিতি থেকে আমরা আশা করবো তারা এই প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর কন্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমার শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনের সব সময় পাশে দাঁড়িয়েছি।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটা দাবি টিচার্স মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করা। আমরা আশা করি ডাকসু খুব দ্রুত তা চালু করে শিক্ষার্থীদের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন করবে। ডাকসু ও শিবির যতদিন শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে যাবে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি ততদিন তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
ঢাবি শিবির সভাপতি মু. মহিউদ্দিন খান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি সব সময় দৃঢ়তার সাথে সত্য প্রকাশ করে গেছে। তারা সবসময় ক্ষমতাকে প্রশ্ন করেছে। শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায় আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিকে সবসময় পাশে পেয়েছি। আমরা আশা করবো, তারা ভবিষ্যতেও তাদের এই লিগ্যাসি জারি রাখবে। সব সময় শিক্ষার্থীদের কন্ঠস্বর হয়ে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে।