{{ news.section.title }}
জবি সাংবাদিকদের ওপর হামলার নেপথ্যে তিন বহিরাগত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) নির্বাচন বানচাল করতে সমিতির কার্যালয়ে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফও হামলার শিকার হন বলে জানা গেছে।
আহতদের রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে হামলার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল বলে দাবি করেছেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন বানচাল ও সমিতি দখলের উদ্দেশ্যে ওমর ফারুক জিলন, শাহাদাৎ হোসেন অনু ও মাহির মিলনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী সমিতিতে অবস্থানরত সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমরান হুসাইন ও সাধারণ সম্পাদক মাহতাব লিমন এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গত ২ মার্চ সমিতির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র উত্তোলন ও জমা দেওয়ার দিন নির্ধারিত ছিল।
তাদের ভাষ্য, নির্বাচন কমিশনার ও সমিতির নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ দুপুর দেড়টার দিকে বহিরাগতদের নেতৃত্বে ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী কার্যালয়ে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়।
এ হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি জুনায়েত শেখ, সময়ের আলোর মুশফিকুর রহমান ইমন, বাংলাদেশের খবরের জান্নাতুন নাইম, দৈনিক যুগান্তরের সাকেরুল ইসলাম, আজকের পত্রিকার সোহানুর রহমানসহ অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, সমিতির সদস্যপদ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওমর ফারুক জিলন, শাহাদাৎ হোসেন অনু ও মাহির মিলনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নির্বাচন বানচাল ও সমিতি দখলের উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়।
এদিকে, ঘটনার বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, “আমরা কেউ সমিতির অফিসে যাইনি। জুনিয়র কেউ কেউ যেতে পারে। তবে আমরা কেউ হামলার সঙ্গে জড়িত নই।”