{{ news.section.title }}
নিহত ইবি শিক্ষিকা আসমার রূহের মাগফেরাত কামনায় প্রশাসনের দোয়া
নিজ কার্যালয়ে সাবেক কর্মচারীর দ্বারা হত্যার শিকার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনার রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোনাজাতে রুনার রূহের মাগফেরাত, পরকালে শান্তির জীবন ও জান্নাত কামনা করা হয়। একইসাথে শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য ধারণ করার তৌফিক কামনা করা হয়।
এসময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা যে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে তার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। আমরা চাই খুনি যে স্টেটমেন্ট দিয়েছে তার ভিত্তিতে ও আরো জোরালো তদন্ত করে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন মোতাবেক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবে প্রশাসন।
তিনি আরও বলেন, তাঁর পরিবার যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পাওয়ার দাবিদার তার জন্য অতি দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি আমরা। ওই বিভাগে এমন কিছু করা হোক যা সারা জীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে, প্রশাসন থেকে আমরা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব। আমি আমার শিক্ষকতার জীবনে এমন নম্র ও ভদ্র স্বভাবের কাউকে পাইনি। আমরা দোয়া করব তাকে যেন আল্লাহ তায়ালা তার গুণাহসমূহ মাফ করে দিয়ে জান্নাতুল ফেরদাউস এবং শহীদি মর্যাদা দান করেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল চারটার পর নিজ কার্যালয়ে বিভাগের সাবেক কর্মচারী ফজলু কর্তৃক গলা কেটে হত্যার শিকার হন আসমা সাদিয়া রুনা। পরবর্তীতে সে নিজের গলা কেটে আত্মহননের চেষ্টা করে। পরে প্রক্রিয়াল বডি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসমা সাদিয়াকে মৃত ঘোষণা করে। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বাদ জোহর জানাজা সম্পন্ন হয়। এদিকে পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়ে লিখিত স্বীকারোক্তি দেয় ফজলু।