{{ news.section.title }}
মিথ্যা মামলায় এখনো হাজিরা দিচ্ছেন ছাত্রদল নেতা জিয়া উদ্দিন বাসিত
সারা দেশে যখন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, তখনও মিথ্যা মামলার হাজিরা দিতে আদালতের বারান্দায় উপস্থিত হতে হয়েছে সাবেক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের অন্যতম সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিতকে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ঈদের চতুর্থ দিনে তিনি ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে হাজিরা দিতে উপস্থিত হন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২০ অক্টোবর অস্ত্রমামলা, বিস্ফোরণ, ভাঙচুরসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা একাধিক মামলার প্রধান আসামি হিসেবে কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিতকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। তার আগে ১৭ই অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকা থেকে তৎকালীন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে ২ দিন গুম করে রাখে এবং বিভিন্ন স্থানে নিয়ে ক্রসফায়ার করার অপচেষ্টা চালানোর পর তৃতীয় দিন তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
উক্ত মামলাগুলোর প্রেক্ষিতে তিনি প্রায় ১১ মাস কারান্তরীণ ছিলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও মামলাগুলোর বিচার কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
এ বিষয়ে তার সহযোদ্ধা জবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল আহমেদ রাহাত দাবি করেন, "রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অত্যান্ত সক্রিয় থাকার কারণেই উনাকে অস্ত্র মামলার মতো বড় বড় মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।"
এ বিষয়ে কাজী জিয়া উদ্দিন বাসেত বলেন, “ফ্যাসিবাদী আমলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে আওয়ামী ফেসিস্টরা আমার নামে দশটিরও অধিক মিথ্যা মামলা দেয়। আমি দীর্ঘদিন এসব মামলায় জেল খেটেছি। এখনও আমার চার থেকে পাঁচটি মামলার বিচারকার্য চলমান রয়েছে। ঈদে যেখানে সবার আনন্দ করার কথা পরিবারের সাথে সময় কাটানোর কথা সেখানে আজ আমি মামলায় হাজিরা দিতে এসেছি।"
তিনি আরও বলেন ,"সেই সংগ্রামের দিনগুলোর কথা এখনও মনে পড়ে। আমি চাই, বাংলাদেশের কোনো নাগরিক যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার না হন এবং মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করতে না হয়।”
ঈদের আনন্দের সময় পরিবার-পরিজনের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ না পেয়ে তাকে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নিতে হওয়ায় বিষয়টি সহকর্মী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।