{{ news.section.title }}
যথাযোগ্য মর্যাদায় ইবিতে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালিত
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গণহত্যা দিবস এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবস দুটির উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে, যেখানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকের অংশগ্রহণে তৈরি হয় শ্রদ্ধা, স্মরণের এক অনন্য পরিবেশ।
গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে গণহত্যায় নিহত এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পবিত্র কুরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকালে প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। একই সময়ে বিভিন্ন আবাসিক হলেও প্রভোস্টগণ পতাকা উত্তোলন করেন।
পতাকা উত্তোলনের পর বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ স্মৃতিসৌধে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহিদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন, হল, বিভাগ এবং সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে। পরে এক মিনিট নীরবতা পালন এবং দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর স্থাপিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
এছাড়া বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদসহ আবাসিক এলাকা ও হল মসজিদসমূহে বীর শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সড়কগুলো রঙিন পতাকায় সজ্জিত করা হয়।