রাবির কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুম ও অযুখানা নির্মাণ সম্পন্ন

রাবির কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুম ও অযুখানা নির্মাণ সম্পন্ন
ছবির ক্যাপশান, রাবির কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুম ও অযুখানা নির্মাণ সম্পন্ন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুম ও অযুখানার নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। নারী শিক্ষার্থীদের ইবাদতের পরিবেশকে সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষের অনুভূতি দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোষ্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানান রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়িদা হাফছা।

এতদিন পর্যাপ্ত সুবিধার অভাবে অনেক শিক্ষার্থীকে অযু ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হতো। শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুন বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক ওয়াশরুমের দাবি জানাচ্ছিলাম। বিশেষ করে নামাজ আদায়ের আগে অযুর জন্য উপযুক্ত জায়গা না থাকায় নারী শিক্ষার্থীদেরকে অনেক সমস্যায় পড়তে হতো। এখন এই উদ্যোগ আমাদের জন্য সত্যিই স্বস্তিদায়ক।”

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম জাহান বলেন, “নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি উদ্যোগ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মীয় চর্চার জন্য এমন মৌলিক সুবিধা থাকা জরুরি। সংশ্লিষ্ট সকলকে এজন্য ধন্যবাদ জানাই।”

এ বিষয়ে রাকসুর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাইয়িদা হাফছা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াশরুম ও অযুখানার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি ন্যায্য ও প্রয়োজনীয় দাবি ছিল, যা অবশেষে বাস্তবায়িত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রাকসুর পক্ষ থেকে আমরা শুরু থেকেই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আজ তা বাস্তবে রূপ পেয়েছে। এর ফলে ক্যাম্পাসে নামায আদায়ে নারী শিক্ষার্থীদের যে সীমাবদ্ধতা ও ভোগান্তি ছিল, তা অনেকাংশেই কমে যাবে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে ভবিষ্যতেও নারী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের গঠনমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বিষয়ে আরও আন্তরিক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা রাখি।


সম্পর্কিত নিউজ