{{ news.section.title }}
রাবি শিক্ষার্থীদেরকে মাসিক ২০০০ টাকা বৃত্তি ও ক্যাম্পাসে ৫টি ই-কার প্রদানসহ এক গুচ্ছ পরিকল্পনা রুয়া'র
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সিনেট কার্যকর করা, প্রতি বিভাগে ১জন ছাত্র ও ১জন ছাত্রীকে মাসিক ২০০০ টাকা বৃত্তি এবং অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থায় ৫টি ই-কার প্রদানসহ এক গুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের (রুয়া) সভাপতি ও সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবেরী ভবনে রুয়া'র মিটিং শেষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
রুয়া'র সভাপতি বলেন, 'গত ফ্যাসিবাদী আমল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কোনো কাজ করছে না অথচ সিনেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অন্যতম প্রধান অর্গান। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছি এবং আমরাও সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে অবিলম্বে সিনেট কার্যকর করতে হবে। রাকসু'রও দাবি ছিল আমাদের কাছে যে আমরা যেন এই দাবিটা করি। যেহেতু রাকসু'রও পাঁচজন সিনেট মেম্বার নির্বাচিত করেছে।'
তিনি বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি রিউনিয়ন ও এজিএম করা। এজন্য আমরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ২ অক্টোবর রি-ইউনিয়ন হবে আর ৩ অক্টোবর এজিএম হবে। রি-ইউনিয়ন করার জন্য আমরা যারা রি-ইউনিয়নের মেম্বার হবে তাদের জন্য আমরা একটা সময় দিয়ে দিব।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা আরও দাবি জানিয়েছি যে প্রত্যেকটি হলে যেন রিডিং রুমগুলোতে এসি দেওয়া হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার জন্য এটি একটি খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। আমরা অতি তাড়াতাড়ি রুয়ার নিজস্ব ভবন নির্মাণ করবো। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানিয়েছি অতি দ্রুত এক থেকে দুই মাসের মধ্যে রুয়ার ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে দিব।'
শিক্ষার্থীদের বৃত্তির বিষয়ে রুয়া'র সভাপতি বলেন, 'আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য শুরুতেই একটা বৃত্তির কথা বলেছিলাম। আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই বৃত্তির ব্যবস্থাটা অতি দ্রুত শুরু করবো। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতি মাসে প্রতি বিভাগের একজন মেয়ে এবং একজন ছেলেকে দুই হাজার টাকা করে বৃত্তির ব্যবস্থা করবো।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের জন্য ই-কার সেবা পুনরায় চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, 'আমরা ক্যাম্পাসে এর আগে ই-কার সেবা চালু করেছিলাম, কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সে ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। তখন ক্যাম্পাসের রাস্তাঘাট তেমন একটা ভালো ছিল না এবং এটা সঠিকভাবে মেইন্টেনেন্স না করার কারণে যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়তে হয়েছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কিছু নতুন ই-কার কিনে বিশ্ববিদ্যালয়কে দিয়ে দিব। আগের মতোই চলবে কিন্তু এর ব্যবস্থাপনায় থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।'
তিনি বলেন, 'আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করছি, খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে আমাদের এই সিদ্ধান্ত গুলো বাস্তবায়ন হবে।'
এসময় রুয়া'র মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) মো. মাঈন উদ্দিন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান। রুয়া'র সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দিন, রাকসু'র ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদসহ রুয়া ও রাকসুর সদস্যবৃন্দ।