হামের টিকা কারা পাবে, কারা পাবে না - জানুন বিস্তারিত?

হামের টিকা কারা পাবে, কারা পাবে না - জানুন বিস্তারিত?
ছবির ক্যাপশান, হামের টিকা কারা পাবে, কারা পাবে না

দেশে শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। আজ রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে সারাদেশে একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সমন্বিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিশুদের সুরক্ষায় এই বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা মেনে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।

ইপিআই-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে কোনো শিশু যতবারই হাম-রুবেলার টিকা নিয়ে থাকুক না কেন, এই জরুরি ক্যাম্পেইনে তাকে আরও একটি ডোজ দেওয়া হবে। এটি অতিরিক্ত বা ‘বুস্টার’ ডোজ হিসেবে বিবেচিত হবে, যার লক্ষ্য দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা।

এছাড়া, দুইটি এমআর টিকার ডোজের মধ্যে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান রাখতে হবে। অর্থাৎ, কোনো শিশু যদি আজ টিকা নেয়, তাহলে পরবর্তী ডোজ পেতে তাকে কমপক্ষে ২৮ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় যেসব শিশু ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে হাম-রুবেলার টিকা পাওয়ার কথা, তাদের সেই নির্ধারিত টিকাও যথাসময়ে নিশ্চিত করতে হবে। জরুরি ক্যাম্পেইন যেন নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তবে সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া যাবে না। ইপিআই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর আছে বা তারা কোনো অসুস্থতায় ভুগছে, তাদের এই মুহূর্তে টিকা দেওয়া হবে না। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার পরই তারা টিকা নিতে পারবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম-রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হওয়ায় দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের মধ্যে এই রোগের বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলতে। এতে করে শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামগ্রিক জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিও উন্নত রাখা সম্ভব হবে।


সম্পর্কিত নিউজ