সোমালিল্যান্ড কে ইসরায়েলের স্বীকৃতি ,বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বে উত্তেজনা!

সোমালিল্যান্ড কে ইসরায়েলের স্বীকৃতি ,বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বে উত্তেজনা!
  • Author,
  • Role, জাগরণ নিউজ বাংলা

নিজস্ব সেনাবাহিনী ও সরকার থাকা স্বত্তেও কেন সোমালিল্যান্ড দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে না ? ১৯৯৭সালে সোমালিয়া থেকে ভাগ হয়ে নিজেদের আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে সোমালিল্যাণ্ড। স্বাধীনতার ২৭ বছর পরে ও কেন বিশ্বের কাছে নিজেদের স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে না সোমালিল্যান্ড ?

নিজেদের আলাদা মুদ্রা,পাসপোর্ট সরকার ব্যবস্থা থাকলে ও সোমালিল্যান্ড কেন দেশ নয়।  মজার বিষয় হচ্ছে সোমালিয়া ও সোমালিল্যান্ড এক সময় পৃথক রাষ্ট্র ছিলো এবং নিজেদের স্ব-ইচ্ছায় এক সাথে হয়ে ছিলো  তাহলে কেন কখন কি ভাবে সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে যায় সোমালিল্যান্ড। আফ্রিকার দেশ গুলো এক সময় ইউরোপের উপনিবেশ ছিলো তখন সোমালিয়ার দক্ষিণ অংশ শাসন করত ইতালি এবং বাকি অংশ ব্রিটেনের দখলে ছিলো ।  ১৯৬০ সালে ব্রিটেন এবং ইতালি পর্যায়ক্রমে সোমালিয়া ও সোমালিল্যান্ড কে আলাদা দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রধান করে ।দুটি দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি এক হওয়ার স্বার্থে দুই দেশের জনগণ একক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে সোমালিয়া গঠন করে আদেন আব্দুল্লাহ ওসমান দারেরর নেতৃতে ।

কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস ১৯৬৯-১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোমালিয়ার জেনারেল শাসক সিয়াদ বারে সোমালিল্যান্ডে ব্যাপক ভয়াবহ দমন পীড়ন চালাই । সিয়াদ বারের শাসন আমলে শাসন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সোমালিল্যান্ডে গণহত্যা চালায় হাজারো নারী, পুরুষ ও শিশু নিহত হয় । এক সময় সোমালিল্যান্ডের মানুষ বুঝতে পারে তাঁরা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল । তখন থেকে সোমালিল্যান্ড নিজেরদের আলাদা রাষ্ট্রের কথা ভাবতে থাকে । অবশেষে ১৯৯৭ সালে আবদিরাহমানের নেতৃতে সোমালিল্যান্ড সোমালিয়া থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে ঘোষনা করে।সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতার পথে প্রধান অন্তরায় সোমালিয়া ও আফ্রিকান ইউনিইয়ন । সোমালিল্যান্ড কে নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে সোমালিয়ানরা ।

আফ্রিকা মহাদেশের ৫৫ টি দেশ নিয়ে আফ্রিকান ইউনিয়ন গঠিত হয়|যদি সোমালিল্যান্ড কে এখন স্বাধীতা দেওয়া হয় এই সুযোগে আফ্রিকার অন্যান্য দেশ গুলো ভাগ হয়ে নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবী তুলবে । আফ্রিকান ইউনিয়ন চাই না নিজেদের মধ্যে দাঙ্গার সৃস্টি হোক । সম্প্রতি ইসরায়েল সোমালিল্যান্ড কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেই । এই অবস্থায় বিশ্লষকদের ধারণা আফ্রিকার রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরী হতে পারে । ইসরায়ের এই স্বীকৃতি কে বাংলাদেশসহ  ওআইসি ( organization of Islamic cooperation) প্রত্যাখ্যান করেছে । মুসলিম বিশ্বের কোন দেশই চাই না মুসলমানদের রক্ত ঝড়ুক। যুক্তরাষ্ট্রে সোমালিল্যান্ডে মিশন ও ইসরায়েলের স্বীকৃতি কিসের বার্তা দিচ্ছে তা আসলেই ভাবনার বিষয় ।  
                                              

আপনার প্রতিক্রিয়া জানান

❤️
Love
0
(0.00 / 0 total)
👏
Clap
0
(0.00 / 0 total)
🙂
Smile
0
(0.00 / 0 total)
😞
Sad
0
(0.00 / 0 total)

মন্তব্যসমূহ

এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।


সম্পর্কিত নিউজ