সৌদি, আরব -আমিরাত ও তুরস্কে থাকা মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দিব!
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
রানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। এই উত্তেজনার মধ্যে ইরান সতর্ক করে করে বলে , ওয়াশিংটন যদি ইরানে হামলা চালায়,তাহলে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মাটিতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানব আমরা। বুধবার একজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এ কথা জানিয়েছেন।
কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘তেহরান সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শুরু করে তুরস্ক পর্যন্ত আঞ্চলিক দেশগুলোকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, তবে ওই দেশগুলোর মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করা হবে আমাদের জন্য জরুরী।তিনি আরও জানান, ইরান এসব দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলা ঠেকাতে চেষ্টা করার অনুরোধও জানিয়েছেন। এদিকে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দিন দিন বেড়েই চলছে , এরই মধ্যে বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে চলেছে তেহরান। মানবাধিকার সংস্থার মতে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড বুধবারের (১৪ জানুয়ারি) মধ্যে কার্যকর করা হতে পারে এ চলছে জল্পনা ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এরফান সোলতানি ইরানে বুধবারের মধ্যেই মৃত্যুদণ্ডের মুখে পড়তে পারেন। গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতারের পর তার বিচার, দোষী সাব্যস্তকরণ ও সাজা ঘোষণা করা হয়েছে গেছে।প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে , ২৬ বছর বয়সি সোলতানিকে তেহরানের উত্তর-পশ্চিম উপকণ্ঠের শহর কারাজ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ইন্টারনেট বন্ধের আগে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ যখন চরমে পৌঁছেছিল, তখন গ্রেফতারের এ ঘটনা ঘটে। গার্ডিয়ানের তথ্যানুসারে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া হাজারো বিক্ষোভকারীর মধ্যে এরফান একজন।
এরফানের মামলাটি তুলে ধরে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সতর্ক করেছে যে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ‘ভিন্নমত দমন’ ও ‘ভয় দেখাতে’ আবারও দ্রুত বিচার ও নির্বিচার মৃত্যুদণ্ডের পথে হাঁটতে চলেছে।
অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, ১১ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, কর্মকর্তারা এরফান সোলতানির পরিবারকে নিশ্চিত করেছ যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।
সংগঠনটি জানায়, ব্যাপক বিক্ষোভ ও সরকারের ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যে ৮ জানুয়ারি থেকে সোলতানির সঙ্গে তার স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তার পর থেকে এরফানের সাথে পরিবারের কোন যোগাযোগ হয়নি। এই উত্তেজনার মধ্যে ইরান আরব-আমিরাতসহ আরো কয়েকটি দেশে হামলার হুমকি দেই যেখানে আমেরিকার ঘাটি রয়েছে।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।