আন্তর্জাতিক
মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র - ইইউ জোট , ভাঙ্গতে যাচ্ছে কি ন্যাটো ?
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
সাম্রাজ্যবাদী আমেরিকা গ্রিনল্যান্ড কে চীনও রাশিয়া বলয় থেকে মুক্ত করতে বারবার প্রকাশ্যে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়ে আসছে। এই মূহুর্তে গ্রিনল্যান্ড নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। কখন জানি ভেনেজুয়েলার মতো করে গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালিয়ে বসে ট্রাম্প এ নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যমে চলছে
তুমুল আলোচনা - সমালোচনা। পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো কে আমেরিকা সব সময় খেলার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে আক্রমণ করলে ন্যাটোর অবস্থা কি হবে। ন্যাটো আমেরিকার না গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ নিবে। পশ্চিমা ৩১ টি দেশের সমন্বিত ভাবে ন্যাটো সামরিক জোট তৈরি হয়। ডেনমার্ক ন্যাটোর অন্যতম সদস্য দেশ এবং এখানে মজার ব্যাপার হলো গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। ডেনমার্ক, যুক্তরাজ্য জার্মানিসহ ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশ স্পষ্ট গ্রিনল্যান্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ফ্রান্স,জার্মানি,যুক্তরাজ্য ও তাদের মিত্ররা গ্রিনল্যান্ডের রাজধানীর নুক-এ সৈন্য পাঠিয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। ফ্রান্স আরো বলেছে খুব শিগগিরই গ্রিনল্যান্ডে সামরিক মহড়ার আয়োজন করতে যাচ্ছি। গত বুধবারে ওয়াশিংটনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কোর সাথে গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হয় কিন্তু আশানুরূপ কোন সমোঝোতা হয়নি। ট্রাম্প ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিনল্যান্ড আমাদের চাই নতুবা চীন রাশিয়া দখল করলে চাইলে ডেনমার্ক কিছু ই করতে পারবে না কিন্তু আমরা এটা হতে দিতে পরি না।
হোয়াট হাউস প্রেস সেক্রেটারি লেভিট জানিয়েছে,ইউরোপীয় দেশ গুলো গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠালেও ট্রাম্প তার জায়গায় অনড় থাকবে থাকবে। পোল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী এক ধাপ এগিয়ে ট্রাম্প কে সর্তক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড দখলের হস্তক্ষেপ হবে পৃথিবীর অন্তিমকাল। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুখোমুখি হলে ন্যাটো ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এতদিন যাতের বন্ধু ভেবে আসছে ইউরোপ আজ যেন সেই বন্ধু ই পিছন থেকে ছুরি মারছে। আমেরিকা ন্যাটোভুক্ত দেশে আক্রমণ করলে ন্যাটোর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে এমনকি ন্যাটো ভেঙে উরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বে আরেকটি সামরিক জোট তৈরি হতে পারে ইউরোপের নিরাপত্তার স্বার্থে।