{{ news.section.title }}
থাইল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ, সংবিধান সংশোধনে চলছে গণভোটও
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে আজ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থবিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বাড়তে থাকা জাতীয়তাবাদী আবহের মধ্যে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সংস্কারপন্থি, সামরিক সমর্থনপুষ্ট রক্ষণশীল ও জনতাবাদী রাজনৈতিক শক্তিগুলো মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে।
রোববার ভোটগ্রহণ শুরুর খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এবারের নির্বাচনে নতুন সরকার গঠনের ভোটের পাশাপাশি সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে গণভোটেও অংশ নিচ্ছেন ভোটাররা। সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে জনগণের মতামত জানতে এই গণভোট আয়োজন করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। তিনি গত তিন বছরে দায়িত্ব নেওয়া দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং শাসনব্যবস্থায় আস্থা পুনরুদ্ধার করাই এই নির্বাচনের অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
এই নির্বাচনে থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৫০০ সদস্য নির্বাচিত করা হবে। এর মধ্যে ৪০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন, আর বাকি ১০০টি আসন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে বণ্টন করা হবে।
বিভিন্ন জনমত জরিপের ইঙ্গিত অনুযায়ী, কোনো দল এককভাবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এমন সম্ভাবনা কম। ফলে নির্বাচনের পর জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে ভোটাররা ২০১৭ সালে প্রণীত সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নেও মত দিচ্ছেন। ওই সংবিধানে অনির্বাচিত সিনেট সদস্যদের ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক চলেছে। নতুন সরকার গঠনের পাশাপাশি এই গণভোটের ফল থাইল্যান্ডের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।