{{ news.section.title }}
মারা গেছেন নেতানিয়াহু? যা বলছে সংবাদমাধ্যম গুলো
৬০ ঘন্টা পেরিয়েছে ইরান ইসরায়েল আমেরিকার যুদ্ধের। এখন পর্যন্ত দুই দেশের শতাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। হত্যা করা হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আল খামেনিকে। খামেনিকে হত্যার দাবী করে প্রথমে ইসরায়েল এবং পরবর্তীতে ট্রাম্প একই ঘোষণা দেন। তার ঠিক ৬ ঘন্টা পর ইরান জানান ইমাম খামেনির শহীদ হওয়ার খবর।
খামেনিকে হত্যা করার পর থেকেই ভয়ংকর হয়ে উঠে ইরান। একের পর এক মিসাইল ছুড়তে থাকে আমেরিকার ঘাঁটি ও ইসরায়েলে। আজ ২ রা মার্চ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও যুদ্ধাপরাধী বেনজামিন নেতানিয়াহু অফিস ও দেশটির বিমানবাহিনীর প্রধানের বাড়িতে শক্তিশালী খাইবার ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে আঘাত করে ইরান। হামলার পর নেতানিয়াহুর মৃত্যু, অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, এ হামলায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এ হামলায় খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানায় আইআরজিসি। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হামলার খবর মিললেও, সে সময় নেতানিয়াহু কোথায় ছিলেন তা জানা যায়নি। ইসরাইলি প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বিবৃতিতে ইরানের সামরিক মুখপাত্র বলেন, খেইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তারা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অফিস এবং বিমানবাহিনী প্রধান টোমার বার-এর বাসায় হামলা চালিয়েছে। ভিডিওতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, তার জীবিত থাকার কোনো আলামত নেই।
তবে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, লক্ষ্যভিত্তিক ও আকস্মিক এ হামলার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। হামলার পর নেতানিয়াহুর পরিণতি এখন ‘অনিশ্চয়তার মেঘে আচ্ছন্ন’।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, একই স্থানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর নেতানিয়াহু বেইত শেমেশে তার নির্ধারিত সফর বাতিল করেন। নেতানিয়াহুর সবশেষ প্রাপ্ত ভিডিওটি প্রায় কয়েক মিনিটের একটি বার্তা, যা পাঁচ ঘণ্টা আগে প্রকাশিত হয়েছে। এরপর থেকে তার আর কোনো নতুন ছবি বা ভিডিও প্রকাশ্যে আসেনি। কিন্তু টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রতিবেদনে লিখেছে, ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ নিউজের প্রধান রাজনৈতিক বিশ্লেষক আমিত সেগাল টেলিগ্রামে বলেছেন, ‘এটি মিথ্যা খবর।’ ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ক্যান টিভি নিউজের প্রধান কূটনৈতিক প্রতিবেদক সুলেমান মাসওয়াদা জানিয়েছেন, ইরানের দাবির কোনো প্রমাণ নেই।