বিশ্ব মোড়ল আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় হামলার রহস্য
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আমেরিকা মুখে মুখে গনতন্ত্রের বুলি আওড়ালেও প্রকৃত পক্ষে ব্রিটেন থেকে স্বাধীনতার পরপরই সাম্রাজ্যবাদী ন্যীতি অনুসরণ করে আসছে। আমেরিকা স্বাধীনতার কয়েক দশকের মধ্যে মেক্সিকোর ৫৫ শতাংশ ভুখণ্ড দখল করে নেয় এবং সেখানে আঁখ চাষীদের বিতারিত করে নিজেরা মেক্সিকোর চিনি সম্পদ দখল করে। শুধু মেক্সিকো নয় যুগে যুগে আমেরিকা সামরিক ভাবে সহায়তা করে অথবা সরাসরি পানামা,ফিলিপাইন, কিউবা ,হাইতি আফগানিস্তান,ইরাক দখল করে ছিলো।যার দরুণ অসংখ্য নিরপরাধ মানুষের প্রাণ যায়।
পৃথিবীর যে প্রান্তেই খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে সেখানেই আমেরিকা শান্তির বার্তার নিয়ে গেলেও তাদের উদ্দেশ্য ছিলো যুদ্ধ বাধিয়ে সামরিক অস্ত্র বিক্রি ও খনিজ সম্পদ আত্মসাৎ করা।পৃথিবীর তেল মজুদের দিক থেকে ভেনেজুয়েলার অবস্থান প্রথম এবং ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুদ আছে আর এই সম্পদই তাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
ভেনেজুয়েলার সাবেক রাষ্ট্রপতি হুগো শেভেজ ক্ষমতায় এসে তেল শিল্প কে জাতীয়কণ করে আমারিকার তেল কোম্পানির প্রভাব কমিয়ে আনে এতে করে কোম্পানি গুলো বড় ধরনের ধাক্কা খায় এবং আমেরিকার বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পাই । একই সময়ে শেভেজ নিজেকে সমাজতান্ত্রিক নেতা হিসেবে গড়ে তুলে। দিনদিন রাশিয়া ও চীনের সাথে সুসমর্পক তৈরি করে এতে করে আমেরিকার চক্ষুশূল হয় ভেনেজুয়েলা ।তখন থেকেই আমেরিকা নানাভাবে ভেনেজুয়েলা কে হস্তগত করতে বিভিন্ন সময়ে তেল শিল্পের উপর অবরোধ দিয়ে আসছে ।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রেরপ্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদক ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে ভেনেজুয়েলার জলসীমায় একাধিক হামলা চালায়। গত ৩ জানুয়ারী বিশ্ব কে অবাক করে দিয়ে ট্রাম্প কারাকাসে সামরিক হস্তক্ষেপ করে মাদুরো কে বন্দী করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসে বিচার করবে বলে। মাদুরো কে বন্দীর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলায় পতুল সরকার গঠনের প্রস্তাব দেই এবং তেল শিল্প কে নিজেদের কোম্পানির হাতে তুলে দিবে বলে ঘোষনা দেই। নীরব বিশ্ব এখন তাকিয়ে দেখবে ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষের ভাগ্যে কি আছে।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।