{{ news.section.title }}
৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন দামে মার্কিন ডলার
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজারে রাজ করে বেড়ানো মার্কিন ডলারে নাটকীয় পতন ঘটেছে। গত চার বছরের মধ্যে ডলারের দাম সর্বনিম্নে পৌঁছে গেছে। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সংবাদ সংস্থা রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রধান ছয়টি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মান নির্ণয়কারী সূচক ৯৫ দশমিক ৫৬৬ এ নেমে এসেছে।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির পর এটি ডলারের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থান। ডলারের এই দরপতনের সরাসরি প্রভাব পরেছে বিশ্ববাজারে। ফলে স্বর্ণের দাম অভূতপূর্ব হারে বেড়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স স্বর্ণ ৫ হাজার ২০০ ডলার অতিক্রম করেছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান রাজস্ব ঘাটতি ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার কমানোর সম্ভাবনায় ডলারের মান চাপের মুখে পড়েছে। আরও রয়েছে শুল্কনীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপর রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করেছে যার বলে ব্যবসায়িক দিকে ধীর হয়ে যাচ্ছে য্যক্তরাষ্ট্র যার প্রভাব পড়ছে ডলারের মানে। মার্কিন অর্থনীতির এই অস্থিতিশীলতা বজায় থাকলে ডলারের মান আরও কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে আশংকা করেন বিশেষজ্ঞরা।
আর এই সংকটে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ বা অন্যান্য বাস্তব সম্পদে বিনিয়োগ করছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ডলারের মান আরও কমে যাক তিনি এমনটি চান না। তিনি মন্তব্য করেন ডলারের বর্তমান ‘দারুণ’ অবস্থান রয়েছে। তবুও তার এই মন্তব্য বাজারে কোনো ইতিবাচক প্রভাব ফেলেনি।
বরং তার বক্তব্যের পর ডলারের মানের আরো পতন ঘটেছে।
সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, হোয়াইট হাউসের নীতিনির্ধারকরা ভবিষ্যতে ডলারের মান আরও কমিয়ে রাখতে পারেন- এমন একটি ধারণা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জেঁকে বসেছে, যা স্বর্ণের বাজারকে আরও চাঙা করে তুলছে।
উল্লেখ্য, ডলারের মান কমে যাওয়ার ফলে গতকাল মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায় এবং আজ বুধবার তা ৫ হাজার ২০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
তবে আমদানিনির্ভর দেশগুলোর জন্য ডলারের এই দুর্বলতা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা।