{{ news.section.title }}
মারা গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা জেসি জ্যাকসন
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা এবং দুই বারের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রেভারেন্ড জেসি জ্যাকসন দীর্ঘ সংগ্রাম জীবনের ইতি ঘটিয়ে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিলো ৮৪ বছর।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জ্যাকসনের পরিবারের পক্ষ থেকে তার প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
জ্যাকসনের পারিবারিক বিবৃতিতে তার পরিবার বলেছেন, “আমাদের বাবা শুধু আমাদের পরিবারেরই অভিভাবক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত, কণ্ঠহীন ও অবহেলিত মানুষের নেতা।“
রেভারেন্ড জেসি জ্যাকসন ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকারের পক্ষে কাজ করে গেছেন।
১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন জ্যাকসন। এসময় আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনেও সুপরিচিত তিনি। ডেমোক্রেটিক পার্টি’র প্রার্থী হিসেবে ১৯৮৪ ও ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন জ্যাকসন। যদিও তখন দলীয় মনোনয়ন পাননি তবে তার প্রার্থিতায় দেশটির রাজনীতিতে আফ্রিকান-আমেরিকানদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
‘অপারেশন পুশ’ এবং ‘রেইনবো কোয়ালিশন’ নামে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দুটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এর মাধ্যমে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন জ্যাকসন।
২০১৭ সালে পার্কিনসন রোগে আক্রান্ত হন জ্যাকসন। এরপর থেকে বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন সংগ্রামী এই নেতা।
জেসি জ্যাকসনের মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বজুড়ে শোক প্রকাশ করা হচ্ছে।
ন্যায়, সমতা ও মানবাধিকারের পক্ষে আপসহীন এক