{{ news.section.title }}
মস্কোতে বৈঠক করলেন পুতিন ও আল-শারা
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক সম্পন্ন করেছেন। সিরিয়ায় সামরিক উপস্থিতি পোক্ত করার উদ্দেশ্যে আলোচনার জন্য এ বৈঠক করে রাশিয়া। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে এই বৈঠক হয়। রাশিয়ার সাবেক মিত্র বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রায় বছর খানেক পরে বৈঠকে বসলেন দুই দেশ।
বৈঠকের আগে সংবাদ সম্মেলনে সিরিয়াকে সমর্থন করার জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে আল-শারা বলেন ‘মধ্যপ্রাচ্যসহ এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতায়’ রাশিয়ার ‘ঐতিহাসিক’ ভূমিকা ছিল। এসময় সিরিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ভৌগলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের জন্য প্রেসিডেন্ট আল-শারার প্রশংসা করেন পুতিন। সিরিয়ার সাম্প্রতিক অভিযান নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
২০২৪ এর ডিসেম্বরে বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর আসাদকে আশ্রয় দেয় মস্কো। তবে সিরিয়ার নতুন কূটনীতির পরে পরিবর্তন হতে থাকে রাশিয়া-সিরিয়ার সম্পর্ক। তারই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাত করতে মস্কো সফরে আছেন শারা।
বৈঠকে সিরিয়ার ভৌগোলিক অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া গতি পাচ্ছে উল্লেখ করে বর্তমান প্রশাসনের প্রশংসা করেন পুতিন। সরকারি বাহিনী পিকেকে-সংশ্লিষ্ট ওয়াইপিজি নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর কাছ থেকে বিস্তীর্ণ এলাকা পুনর্দখল করায় এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় সিরিয়ার বৃহত্তর অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে রাশিয়ার সহায়তার জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানায় প্রেসিডেন্ট আল-শারা।
বৈঠকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত হমেইমিম বিমানঘাঁটি ও তারতুস নৌঘাঁটি ক্রেমলিন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ঘাঁটিগুলোর অবস্থান ধরে রাখতে সিরিয়ার সঙ্গে সমঝোতার আশা প্রকাশ করেছে রাশিয়া।
যদিও সিরিয়ার উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের ক্বামিশলি বিমানবন্দর এলাকা থেকে সেনা সদস্য ও সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার শুরু করেছে মস্কো।
সামরিক কার্গো বিমানের মাধ্যমে সকল সরঞ্জাম লাতাকিয়ার হমেইমিম বিমানঘাঁটির দিকে সরিয়ে নেয়া হয় বলে জানা যায়।