{{ news.section.title }}
১ হাজার অত্যাধুনিক ড্রোন হাতে পেয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
১ হাজার অত্যাধুনিক ড্রোন হাতে পেয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন রণতরী মোতায়েনের পর যেকোনো হামলা মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে ইরান। কৌশলগত এবং সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করতে এক হাজার অত্যাধুনিক ড্রোন হাতে পেয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দেশটির সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল আমির হাতামির বরাত দিয়ে ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মেজর জেনারেল আমির হাতামির জারি করা আদেশের অধীনে এই নতুন ড্রোনগুলো সেনাবাহিনীর চারটি শাখার অপারেশনাল ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর নিজস্ব বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা যৌথভাবে এই ড্রোনগুলো তৈরি করেছেন।
ড্রোনের বিশেষত্বসমূহ:
কৌশলগত সুবিধা: ভবিষ্যতের হুমকির আলোকে আক্রমণাত্মক, পুনর্বিবেচনা (Reconnaissance) এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ—এই তিনটি প্রধান বিভাগকে মাথায় রেখে ড্রোনগুলো ডিজাইন করা হয়েছে।
আঘাত হানার ক্ষমতা: ড্রোনগুলো স্থল, সমুদ্র এবং আকাশে অবস্থানরত নির্দিষ্ট স্থির বা সচল (Mobile) লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে হামলা করতে সক্ষম।
স্বদেশি প্রযুক্তি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হুমকি এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে এগুলো উৎপাদন করা হয়েছে।ইরান ও ছেড়ে দেবার পাএ নয়।
ধারনা করা হচ্ছে আমারিকার যুদ্ধ জাহাজে হামলার জন্য ড্রোন গুলো তৈরি করা হয়েছে।
মেজর জেনারেল আমির হাতামি বলেছেন, “ভবিষ্যতের হুমকির আলোকে কৌশলগত সুবিধা বজায় রাখা এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির আগাম পরিকল্পনা হিসেবে এই ড্রোনগুলো মজুত করা হচ্ছে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো আগ্রাসন মোকাবিলায় আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত।”
উল্লেখ্য, এই ড্রোন বহর যুক্ত হওয়ার ফলে ইরানের আকাশসীমা প্রতিরক্ষা এবং দূরপাল্লার হামলা চালানোর সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।