{{ news.section.title }}
হরমুজ প্রণালী থেকে কত আয় করতে পারবে ইরান?
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, এই নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল থেকে বছরে প্রায় ৬৪ বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ওপর আরোপিত তেল নিষেধাজ্ঞা আগের অবস্থায় ফিরে না গেলেও হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে উল্লেখযোগ্য আয় করার পরিকল্পনা রয়েছে তেহরানের।
সরকারি সূত্রের বরাতে জানানো হয়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হওয়ায় এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল থেকে বিপুল রাজস্ব অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনাও করছে না।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। সীমিত আকারে চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনায় হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরান ও ওমান উভয়েরই টোল আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ভূমিকা রাখবে। তার মতে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক অর্থনৈতিক সুফল পাওয়া সম্ভব এবং এটি মধ্যপ্রাচ্যের জন্যও একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
এদিকে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে সব ধরনের হামলা স্থগিত রেখে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। ট্রাম্প একে ‘পারস্পরিক যুদ্ধবিরতি’ হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে বিশ্ব শান্তির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন।
সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আগামী ৯ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যৌথ সামরিক অভিযানের পর এটিই হতে পারে দুই দেশের প্রথম সরাসরি বৈঠক।