{{ news.section.title }}
পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা নিয়ে ৪টি জরুরি বিষয়
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে ইরানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল। আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং শীর্ষ উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ।
এর আগে নির্ধারিত শান্তি আলোচনা সামনে রেখে ইরানের প্রতিনিধিদলও ইসলামাবাদে পৌঁছায়। এতে করে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি গুরুত্ব তৈরি হয়েছে।
১. পাকিস্তান গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। ইরানের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান আসিম মুনির ইরানকে ‘অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো বোঝেন’।
২. ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছ থেকে ১০ দফা প্রস্তাব পেয়েছে, এই প্রস্তাবকে তিনি ‘আলোচনার জন্য কার্যকর ভিত্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
৩. ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করেছেন, যা এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন ট্রাম্পের প্রধান আলোচকরা।
৪. কোনো প্রস্তাবই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, যদিও উভয় পক্ষের প্রস্তাবের কিছু অংশ ফাঁস হয়েছে বলে খবর রয়েছে। তবে বিবিসির কূটনৈতিক সংবাদদাতাদের মতে, দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনও বড় ব্যবধান রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা নতুন করে শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তার এই বক্তব্যে সম্ভাব্য আলোচনার ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
বুধবার ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এতে ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
এরই মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় লেবানন জানায়, তারা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় বসবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই আলোচনায় অংশ নিতে ইসলামাবাদ যাচ্ছেন। তার সঙ্গে থাকবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর জামাতা ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার।
সব মিলিয়ে, একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার প্রস্তুতি চললেও অন্যদিকে সামরিক অভিযান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা