{{ news.section.title }}
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে যে বার্তা দিলো পাকিস্তান
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পরও অগ্রগতি না হওয়ায় দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছে।
আলোচনা শেষে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতির প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
পাকিস্তানের আহ্বান
রোববার (১২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেন, দুই পক্ষের জন্যই যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইতিবাচক সংলাপ চালিয়ে যাবে।
তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিক দফায় অনুষ্ঠিত আলোচনায় তিনি নিজে এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান
আলোচনা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, “আমরা ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেছি, কিন্তু কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।”
তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘রেড লাইন’ স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছিল, তবে ইরান সেই শর্ত মেনে নেয়নি। ফলে সমঝোতা সম্ভব হয়নি।
ইরানের প্রতিক্রিয়া
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও এখনো ২–৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ৪০ দিনের সংঘাত ও অবিশ্বাসের পরিবেশে এক বৈঠকেই চুক্তি হওয়া বাস্তবসম্মত ছিল না।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।
ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে কয়েক দফা সংলাপ হলেও কোনো সমঝোতা হয়নি। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে এবং একই সময়ে ইসরাইল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায় ইরানে।