{{ news.section.title }}
ইরানকে যে পাঁচ শর্ত দিল ট্রাম্প, না মানলেই হামলা
- Author, জাগরণ ডেস্ক
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
টান টান উত্তেজনার মধ্যেই হয়ে গেলো ইরান যুক্তরাষ্ট্রর আলোচনা। প্রায় দুই সপ্তাহ যাবৎ দেশ দুটি হামলা ও মোকাবিলার বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। আন্তজার্তিক রাজনীতি ও অর্থনীতি অস্থির হয়ে ছিল তাদের এমন টান টান উত্তেজনায়।এরই মাঝে ওমানের রাজধানী মাস্কোটে আলোচনায় বসে দেশ দুটি।ইরানের সাথে আলোচনায় বসার আগে মধ্যপ্রাচ্য থাকা মার্কিন ঘাটিতে সামরিক হামলার প্রস্তুতি এবং যুদ্ধ জাহাজের বিশাল বহরও পাঠিয়েছে ট্রাম্প।
ইরানের সাথে আলোচনায় ট্রাম্প এবার ৫টি শর্ত দিয়েছেন দেশটিকে। শর্ত পাঁচটি না মানলে যেকোনো সময় হতে পারে হামলা। শর্ত পাঁচটি হলো:
১। সমৃদ্ধকৃত ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরানো।
২। ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া
৩। ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া।
৪। মিসাইল পোগ্রাম বা উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া।
৫। সিরিয়া, ইয়েমেন, ইরাক ও লেবাননে যেসব সশস্ত্র মিত্র বাহিনী আছে তাদের সহায়তা বন্ধ করে দেওয়া।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থা চাথাম হাউজের পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ব্রোনওয়েন ম্যাডোক্স, ট্রাম্পের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দাবি হলো, যেটি ইরানের মানতে খুবই কষ্ট হবে, সেটি হলো তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া। তিনি বলেন, “এসব মিসাইল একমাত্র রক্ষাকবচ যেগুলো শত্রুদের হাত থেকে ইরানের সরকারকে রক্ষা করছে। এসব মিসাইল ছাড়া ইরান খালি এবং ইসরায়েলের আকাশ শক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টিলথ বোম্বারের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। ইরানের কোনো সরকারই এ থেকে রক্ষা পাবে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় কোনো কূটনৈতিক সমঝোতা না হলে সামরিক সংঘাতই একমাত্র পরিণতি বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে, আর ইরানের মতো পুরনো শত্রুকে আক্রমণ করা মার্কিন অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে জনসমর্থন পাওয়ার একটি কার্যকর পথ