{{ news.section.title }}
মৃত্যুর সময় কী করছিলেন খামেনি?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ 'অপারেশন এপিক ফিউরি' অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়।
সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।
ইরানি সংবাদ সংস্থা ফার্স জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে তার অফিসে ‘নিজ দায়িত্ব পালন করার সময়’ হত্যা করা হয়েছে। যৌথ এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতি বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স সংবাদ সংস্থার বরাতে আল জাজিরা এ তথ্য জানায়।
ইসরাইলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলায় খামেনি ও তার শীর্ষ সহযোগীরা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী শামখানি ও ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর। ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলী লারিজানির সঙ্গে খামেনি একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, 'মারা গেছেন'। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, 'ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা 'মিউটিলেটেড' অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) খামেনির প্রাসাদ লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এতে তার প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।