{{ news.section.title }}
মধ্যপ্রাচ্যে যে কারণে ঘাঁটি করেছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যেটানা ৩৯ দিনের রক্তক্ষয়ীসংঘাতের পর অবশেষে সাময়িকযুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র।দুই সপ্তাহের এই যুদ্ধবিরতির সময়েউভয় পক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকরবে বলে জানা গেছে।
সংঘাতচলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠমিত্র ইসরাইল-এর হামলায় ইরানেব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হতাহত হয়েছে অনেক মানুষ। তবেপাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো এবং সেখানে থাকামার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যেমার্কিন ঘাঁটির বিস্তার
মধ্যপ্রাচ্যেরবিভিন্ন দেশে দীর্ঘদিন ধরেইমার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়েবড় ঘাঁটি কাতারে অবস্থিত আল উদাইদ বিমানঘাঁটি। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিতএই ঘাঁটিতে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
এছাড়াবাহরাইন, কুয়েত, সৌদি আরব এবংসংযুক্ত আরব আমিরাত-এওমার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সাধারণ সময়ে এসব ঘাঁটিতে প্রায়৩০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করেন, তবে বড় সামরিক অভিযানেরসময় এ সংখ্যা কয়েকগুণবেড়ে যায়।
অতীতেরবড় সামরিক উপস্থিতি
২০০১সালে আফগানিস্তান যুদ্ধ শুরুর পর ২০১১ সালেরমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা সংখ্যা একলাখের বেশি হয়। পরে২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ-এরপর ২০০৭ সালের মধ্যেএ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ ৬০হাজারে।
বর্তমানেসিরিয়া-তে ছোট ছোটঘাঁটিতে প্রায় ২ হাজার এবংইরাক-এ প্রায় আড়াইহাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন।
কেনরাখা হয় মার্কিন সেনা?
বিশেষজ্ঞদেরমতে, একক কোনো কারণনয় - বিভিন্ন কৌশলগত উদ্দেশ্যে মধ্যপ্রাচ্যে সেনা মোতায়েন রেখেছেযুক্তরাষ্ট্র।
- আইএস বা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান
- আঞ্চলিক মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
- স্থানীয় বাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদান
- প্রয়োজনে দ্রুত সামরিক অভিযান পরিচালনা
এছাড়াজর্ডান-এ কয়েকশো মার্কিনপ্রশিক্ষক অবস্থান করেন, যারা নিয়মিত সামরিকমহড়া পরিচালনা করেন।
সামগ্রিকপ্রেক্ষাপট
মধ্যপ্রাচ্যেযুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। সাম্প্রতিকসংঘাত ও যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটেএই ঘাঁটিগুলোর কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেশি আলোচনায়এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতেএই অঞ্চলে উত্তেজনা কমবে নাকি আরওবাড়বে - তা অনেকটাই নির্ভরকরবে এই যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্বেরওপর।