{{ news.section.title }}
ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী পেরিয়েছে তিনটি বড় তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে তিনটি বড় তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
শিপিং তথ্য অনুযায়ী, তেলবোঝাই তিনটি সুপারট্যাঙ্কার প্রণালীটি অতিক্রম করেছে। এগুলো হলো লাইবেরিয়া পতাকাবাহী ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার সেরিফোস এবং চীন পতাকাবাহী কসপার্ল লেক ও হে রং হাই।
তথ্য অনুযায়ী, জাহাজগুলো হরমুজ প্যাসেজ ট্রায়াল অ্যাঙ্করেজ এলাকা দিয়ে বেরিয়ে গেছে, যা ইরানের লারাক দ্বীপকে পাশ কাটিয়ে চলাচলের একটি পথ।
প্রতিটি জাহাজই প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল বহনে সক্ষম।
সেরিফোস জাহাজটি থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি প্রতিষ্ঠান পিটিটি-এর জন্য ভাড়া করা হয়েছে। এটি সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে মার্চের শুরুতে তেল নিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং ২১ এপ্রিল মালয়েশিয়ার মালাক্কা বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
অন্যদিকে, কসপার্ল লেক জাহাজটি ইরাকের তেল বহন করছে এবং এটি আগামী ১ মে চীনের ঝৌশান বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
হে রং হাই জাহাজটি সৌদি তেল বহন করলেও সেটি কোথায় তেল নামাবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে, আরও শত শত তেলবাহী জাহাজ এখনো উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে আছে এবং যুদ্ধবিরতির সময়সীমার মধ্যে প্রণালী অতিক্রমের অপেক্ষায় রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, কিছু খালি জাহাজ ইতোমধ্যে প্রণালী দিয়ে প্রবেশ করছে, যাতে তারা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল বোঝাই করতে পারে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতের জেরে ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে এবং তেলের দাম বেড়ে যায়।
সব মিলিয়ে, সীমিত আকারে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও হরমুজ প্রণালিতে এখনো স্বাভাবিক অবস্থা ফেরেনি এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।