{{ news.section.title }}
মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নজর রাখা হচ্ছে - জাপান
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে ঘিরে বাড়তে থাকা উত্তেজনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে জাপান। টোকিও জানিয়েছে, পরিস্থিতির প্রতিটি দিক তারা সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিমাসা কিহারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের সর্বশেষ অবস্থা, বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখা হচ্ছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত পরিস্থিতি শান্ত করা। কিহারা আশা প্রকাশ করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই সংকটের সমাধান সম্ভব হবে।
হরমুজ প্রণালিতে সম্ভাব্য মাইন অপসারণ বা কোনো সামরিক অভিযানে জাপানের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হওয়ায় হরমুজ প্রণালি নিয়ে জাপানসহ বহু দেশই উদ্বিগ্ন। এই পথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়, ফলে এখানে অস্থিরতা তৈরি হলে তা সরাসরি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে চলমান সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় এশিয়ার বিভিন্ন দেশ বিকল্প প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে-এমন আশাবাদ এখন অনেকটাই কমে এসেছে।
বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে অর্থনীতিগুলো। দক্ষিণ কোরিয়া ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দামে সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম আমদানি শুরু করেছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ওমান-এর সঙ্গে তেল ও গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে, যাতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।