{{ news.section.title }}
উজ্জ্বল ত্বক পেতে দই-মধুর সঠিক ব্যবহার জেনে নিন!
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
আবহাওয়ার পরিবর্তন, কড়া রোদ বা ধুলোবালির কারণে আমাদের ত্বক প্রায়শই তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে ফেলে। ত্বক যখন শুষ্ক, টানটান বা প্রাণহীন হয়ে পড়ে, তখন বাজারে চলতি দামি প্রসাধনীর পেছনে না ছুটে ভরসা রাখতে পারেন আপনার রান্নাঘরের দুটি উপাদানের ওপর, দই ও মধু। এই দুইয়ের মেলবন্ধনে ত্বক পেতে পারে গভীর হাইড্রেশন এবং হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলতা।
কেন এই মিশ্রণটি সেরা?
দইয়ে আছে ল্যাকটিক অ্যাসিড, যা প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে ত্বকের মৃত কোষগুলোকে সরিয়ে দেয়। এর প্রোবায়োটিক উপাদান ত্বকের সুরক্ষা দেয় এবং লালচে ভাব কমিয়ে ত্বককে শীতল রাখতে সাহায্য করে।
আর অন্যদিকে মধু একটি প্রাকৃতিক হিউমেকট্যান্ট। এটি বাতাস থেকে আর্দ্রতা টেনে নিয়ে ত্বকের ভেতর ধরে রাখে। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে থাকে।
প্রস্তুত প্রক্রিয়া:
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
⇨ ১ টেবিল চামচ টাটকা দই
⇨ ১ চা চামচ খাঁটি মধু
ত্বকের ধরন অনুযায়ী বিশেষ সংযোজন:
⇨ অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বকের জন্য, কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন।
⇨ নিস্তেজ ভাব কাটাতে, ৩-৪ ফোঁটা লেবুর রস যোগ করুন।
⇨ মসৃণ টেক্সচারের জন্য, সামান্য ওটস গুঁড়া মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যবহারের নিয়ম:
১. মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে মিশ্রণটি পুরো মুখে পাতলা করে লাগান।
২. ১৫ থেকে ২০ মিনিট শুকাতে দিন, যেন উপাদানগুলো ত্বকের গভীরে পৌঁছাতে পারে।
৩. কুসুম গরম পানি দিয়ে আলতোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৪. ভালো ফলাফলের জন্য সপ্তাহে ২-৩ বার এই মাস্কটি ব্যবহার করুন।
উপকারিতা:
☞ ত্বকের খসখসে ভাব দূর হয়ে দীর্ঘস্থায়ী কোমলতা আসবে।
☞ মৃত কোষ দূর হয়ে ত্বক হবে আরও মসৃণ।
☞ এটি সংবেদনশীল ত্বকেও আরামদায়ক অনুভূতি দেবে।
☞ নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক নমনীয় ও প্রাকৃতিকভাবে দীপ্তিময় হয়ে উঠবে।
সতর্কতা:
ব্যবহারের আগে অবশ্যই কানের নিচে বা হাতের ত্বকে সামান্য লাগিয়ে প্যাচ টেস্ট করে নিন। ব্রণপ্রবণ ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার এড়িয়ে চলাই উত্তম।
দামি ট্রিটমেন্টের বদলে প্রকৃতির এই সহজ উপাদানগুলোতেই লুকিয়ে আছে সুস্থ ত্বকের রহস্য। দই ও মধুর নিয়মিত ব্যবহার আপনার ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা নিশ্চিত করবে এবং আপনাকে দেবে সতেজ এক অনুভূতি।