{{ news.section.title }}
নিখোঁজের তিনদিন পর বগুড়ায় বোট ক্লাবের লেকে ঢাবি শীক্ষার্থীর লাশ
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হাসিন রাইহান সৌমিক (৩০) এর মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার বি-ব্লক বোট ক্লাবের লেক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সৌমিক গত বৃহস্পতিবার হতে বগুড়ার জলেশ্বরীতলা এলাকা থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
আজ রবিবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম শফিক। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সৌমিক বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলার বাসা থেকে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা দিনরাত তাকে খুঁজেছেন। নিখোঁজের পরদিন শুক্রবার সকালে সৌমিকের বাবা তৌফিকুর রহমান বগুড়া সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
রবিবার সকালে বোট ক্লাবের লেকে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সৌমিকের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
উল্লেখ্য, হাসিন রাইহান সৌমিক বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বোচারপুকুর গ্রামের তৌফিকুর রহমানের ছেলে। তারা স্বপরিবারে বগুরা শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সৌমিক।
রবিবার সকালে বোট ক্লাবের লেকে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সৌমিকের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর আসল কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
উল্লেখ্য, হাসিন রাইহান সৌমিক বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বোচারপুকুর গ্রামের তৌফিকুর রহমানের ছেলে। তারা স্বপরিবারে বগুরা শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায় বসবাস করতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য আমেরিকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সৌমিক।