{{ news.section.title }}
১২ ব্যাংককে সাড়ে ৫২ হাজার কোটি টাকা সহায়তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিকভাবে দুর্বল ১২টি ব্যাংককে নতুন মুদ্রা ছাপিয়ে মোট ৫২,৫০০ কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে। গত ৫ আগস্ট থেকে ধাপে ধাপে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সরবরাহ করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ জুন) প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, উল্লেখযোগ্য এই আর্থিক সহায়তা ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যা সরকার একীভূত করার পরিকল্পনা করছে।
গ্রাহকদের আমানত পরিশোধের সুবিধার্থে ১০টি ব্যাংককে ‘ডিমান্ড লোন’ হিসেবে ৩৩,০০০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। ৯টি ব্যাংকের চলতি হিসাবের ঘাটতির অতিরিক্ত ১৯,০০০ কোটি টাকা চাহিদা ঋণে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
সহায়তাপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (বিসিবিএল), ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), বেসিক ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। তন্মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৪,২০০ কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নিশ্চিত করেছেন যে, পাঁচটি বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক ‘খুব শিগগিরই’ একীভূত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং আমরা আশা করি পরবর্তী সরকার এটি অব্যাহত রাখবে।“
তিনি জানান, এই ব্যাংকগুলোতে ইতোমধ্যেই তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ‘বিভিন্ন অনিয়ম এবং ঋণ জালিয়াতির’ কারণে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত ৬টি প্রতিষ্ঠান জুলাইয়ের মধ্যে একীভূত হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্যাংক পরিচালনার কথা জানিয়ে ড. মনসুর উল্লেখ করেন, “এই ব্যাংকগুলো সাময়িকভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এরপর পুনর্গঠনের পর তাদের শেয়ার সরকারি এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্থানান্তর করা হবে।”
গ্রাহকদের আমানত পরিশোধের সুবিধার্থে ১০টি ব্যাংককে ‘ডিমান্ড লোন’ হিসেবে ৩৩,০০০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। ৯টি ব্যাংকের চলতি হিসাবের ঘাটতির অতিরিক্ত ১৯,০০০ কোটি টাকা চাহিদা ঋণে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
সহায়তাপ্রাপ্ত ব্যাংকগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল), ন্যাশনাল ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (বিসিবিএল), ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি), বেসিক ব্যাংক এবং পদ্মা ব্যাংক। তন্মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৪,২০০ কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নিশ্চিত করেছেন যে, পাঁচটি বেসরকারি ইসলামী ব্যাংক ‘খুব শিগগিরই’ একীভূত হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং আমরা আশা করি পরবর্তী সরকার এটি অব্যাহত রাখবে।“
তিনি জানান, এই ব্যাংকগুলোতে ইতোমধ্যেই তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ‘বিভিন্ন অনিয়ম এবং ঋণ জালিয়াতির’ কারণে দুর্বল হিসেবে চিহ্নিত ৬টি প্রতিষ্ঠান জুলাইয়ের মধ্যে একীভূত হওয়ার কথা রয়েছে।
ব্যাংক পরিচালনার কথা জানিয়ে ড. মনসুর উল্লেখ করেন, “এই ব্যাংকগুলো সাময়িকভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এরপর পুনর্গঠনের পর তাদের শেয়ার সরকারি এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের কাছে স্থানান্তর করা হবে।”