{{ news.section.title }}
গণঅভ্যুত্থানে শিশু রিয়া গোপ হত্যার এক বছর পর মামলা
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
নারায়ণগঞ্জ শহরের নয়ামাটি এলাকায় গত বছরের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রিয়া গোপ হত্যার প্রায় এক বছর পর মামলা হয়েছে। তবে এই মামলায় কোনো পরিচিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
রিয়া গোপ শহরের গুলশান হলের পেছনে নয়ামাটির দীপক কুমার গোপ ও বিউটি ঘোষ দম্পতির একমাত্র সন্তান। নিহত রিয়া ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিজ বাড়ির পাঁচতলা ছাদে খেলছিল। তখন শহরের মন্ডলপাড়া থেকে ২ নম্বর রেলগেট পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের একটি মিছিল চলছিল। বিকেল চারটার দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিলে হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠে। সংঘর্ষ চলাকালে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে রিয়া মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়।
পরিবার দ্রুত তাকে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই ছোট্ট মেয়েটি মৃত্যুবরণ করে।
মৃত্যুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও পরিবার থেকে কেউ মামলা করেননি। এ প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি নাসির আহমেদ জানান, নিহতের পরিবারকে বারবার মামলা করতে অনুরোধ করা হলেও তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ বাদী হয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হান মামলাটি দায়ের করেন।
রিয়ার মা বিউটি ঘোষ বলেন, "মেয়ে চলে গেছে, এখন মামলা করে কী হবে? কাদের নামে করবো? আমরা তো কাউকে চিনিও না। তাই বিচার আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি।
রিয়া গোপের জন্ম ২০১৯ সালে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তো। তার বাবা দীপক গোপ স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। সাধারণ এক পরিবারের স্বপ্ন ছিল তাদের মেয়েকে ঘিরে—যে স্বপ্নের অবসান ঘটে একটি গুলিতে।
এই মামলার ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও শিশু রিয়ার করুণ মৃত্যুর ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সহিংসতা শুধু রাজনীতির ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে না, তা পৌঁছে যায় ঘরের ছাদেও।
পরিবার দ্রুত তাকে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ জুলাই ছোট্ট মেয়েটি মৃত্যুবরণ করে।
মৃত্যুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও পরিবার থেকে কেউ মামলা করেননি। এ প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি নাসির আহমেদ জানান, নিহতের পরিবারকে বারবার মামলা করতে অনুরোধ করা হলেও তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ বাদী হয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) আবু রায়হান মামলাটি দায়ের করেন।
রিয়ার মা বিউটি ঘোষ বলেন, "মেয়ে চলে গেছে, এখন মামলা করে কী হবে? কাদের নামে করবো? আমরা তো কাউকে চিনিও না। তাই বিচার আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি।
রিয়া গোপের জন্ম ২০১৯ সালে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তো। তার বাবা দীপক গোপ স্থানীয় একটি হোসিয়ারি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। সাধারণ এক পরিবারের স্বপ্ন ছিল তাদের মেয়েকে ঘিরে—যে স্বপ্নের অবসান ঘটে একটি গুলিতে।
এই মামলার ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও শিশু রিয়ার করুণ মৃত্যুর ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়—সহিংসতা শুধু রাজনীতির ভেতর সীমাবদ্ধ থাকে না, তা পৌঁছে যায় ঘরের ছাদেও।