{{ news.section.title }}
‘ল্যাংড়া-খোঁড়া আইনে’ চলছে ভ্যাট কার্যক্রমঃ এনবিআর চেয়ারম্যান
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
বর্তমানে দেশে ‘ল্যাংড়া-খোঁড়া আইনে’ ভ্যাট (মূসক) কার্যক্রম চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। তিনি বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন আইন করার দরকার থাকলেও, তা করা সম্ভব হয়নি।ব্যবসায়ীরা একমত হলে ভ্যাটের একক হারে যেতে চায় এনবিআর বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজধানীর বনানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঙ্গলবার তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ২০১২ সালে নতুন ভ্যাট আইন করা হলেও, তা বাস্তবায়ন হয়েছে ২০১৯ সালে, সাত বছর পর। তিনি বলেন, "এত ঝগড়াবিবাদ করার পরও আইনটি পুরোপুরি কার্যকর হয়নি।"
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ভ্যাট রিটার্ন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করা হবে এবং কোনো পেপার রিটার্ন গ্রহণ করা হবে না। সার্ভারে চাপ কমাতে ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে রিটার্ন দাখিলের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অডিটের জন্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অটোমেটেড সিলেকশন পদ্ধতি চালু না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
অগ্রিম আয়কর নিয়ে বলেন তিনি, আশির দশকে করপোরেট কর ছিল ৫০ শতাংশ, যা এখন কমে ২০ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু অগ্রিম আয়করের হার সে অনুযায়ী মেলানো হয়নি। একইভাবে, ব্যক্তিগত আয়করের সর্বোচ্চ হার ৬০ শতাংশ থেকে কমে ২৫ শতাংশ হয়েছে। এসব বিষয়ে কাজ করার সময় এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যূনতম করকে ‘কালাকানুন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এটি আয়করের মূল নীতির পরিপন্থী। তবে তিনি জানান, রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এখনই এটি বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না। যখন কর অফিস ও করদাতারা মোটামুটি শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে, তখন এটি তুলে নেওয়া হবে।
সিপিডি’র এই অনুষ্ঠানে একটি জরিপ তুলে ধরা হয়। জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিদ্যমান কর কাঠামো অন্যায্য, যা ব্যবসার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম। কর প্রশাসনে জবাবদিহির অভাব এবং দুর্নীতির অভিযোগও উঠে আসে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮২ শতাংশ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মনে করে, বর্তমান করের হার অন্যায্য। ঘুস ছাড়া আয়কর রিটার্ন অ্যাসেসমেন্ট হয় না। জরিপে অংশ নেওয়া ৪৫ শতাংশ কোম্পানি জানিয়েছে, কর কর্মকর্তারা তাদের কাছ থেকে ঘুস চেয়েছেন। এতে কর প্রশাসনে স্বচ্ছতার অভাব ও দুর্নীতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান স্বীকার করেন যে, কর ফাঁকি এবং কর প্রশাসনে অদক্ষতা রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে এনবিআরকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যাতে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কর প্রশাসন গড়ে তোলা যায়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক অর্থসচিব সিদ্দিকুর রহমান, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এবং আরো অনেকে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ভ্যাট রিটার্ন কার্যক্রম পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় করা হবে এবং কোনো পেপার রিটার্ন গ্রহণ করা হবে না। সার্ভারে চাপ কমাতে ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে রিটার্ন দাখিলের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অডিটের জন্য প্রতিষ্ঠান নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অটোমেটেড সিলেকশন পদ্ধতি চালু না হওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
অগ্রিম আয়কর নিয়ে বলেন তিনি, আশির দশকে করপোরেট কর ছিল ৫০ শতাংশ, যা এখন কমে ২০ শতাংশ হয়েছে। কিন্তু অগ্রিম আয়করের হার সে অনুযায়ী মেলানো হয়নি। একইভাবে, ব্যক্তিগত আয়করের সর্বোচ্চ হার ৬০ শতাংশ থেকে কমে ২৫ শতাংশ হয়েছে। এসব বিষয়ে কাজ করার সময় এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
এনবিআর চেয়ারম্যান ন্যূনতম করকে ‘কালাকানুন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এটি আয়করের মূল নীতির পরিপন্থী। তবে তিনি জানান, রাজস্ব আদায় কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এখনই এটি বাতিল করা সম্ভব হচ্ছে না। যখন কর অফিস ও করদাতারা মোটামুটি শৃঙ্খলার মধ্যে আসবে, তখন এটি তুলে নেওয়া হবে।
সিপিডি’র এই অনুষ্ঠানে একটি জরিপ তুলে ধরা হয়। জরিপে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বিদ্যমান কর কাঠামো অন্যায্য, যা ব্যবসার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলোর অন্যতম। কর প্রশাসনে জবাবদিহির অভাব এবং দুর্নীতির অভিযোগও উঠে আসে। জরিপে অংশ নেওয়া ৮২ শতাংশ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মনে করে, বর্তমান করের হার অন্যায্য। ঘুস ছাড়া আয়কর রিটার্ন অ্যাসেসমেন্ট হয় না। জরিপে অংশ নেওয়া ৪৫ শতাংশ কোম্পানি জানিয়েছে, কর কর্মকর্তারা তাদের কাছ থেকে ঘুস চেয়েছেন। এতে কর প্রশাসনে স্বচ্ছতার অভাব ও দুর্নীতির ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান স্বীকার করেন যে, কর ফাঁকি এবং কর প্রশাসনে অদক্ষতা রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে এনবিআরকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যাতে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কর প্রশাসন গড়ে তোলা যায়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক অর্থসচিব সিদ্দিকুর রহমান, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ, সিপিডি’র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এবং আরো অনেকে।