বাংলাদেশে হচ্ছে সামরিক শিল্পায়ন ঘরেই তৈরি হবে প্রতিরক্ষার শক্তি
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সামপ্রতিক, এক সাক্ষাৎকারে সামরিক শিল্পায়নের উদ্যোগের কথা প্রকাশ করেছেন। সাধারণত আমাদের দেশের জনগন সামরিক শিল্পায়ন সমর্পকে তেমন ধারণা রাখে না তবে আমেরিকা রাশিয়াসহ উন্নত দেশ গুলোতে সামরিক শিল্প কারখানা স্থাপন করে।
তে করে নিজের দেশ কে নিরাপদ রাখা এবং সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানি করে অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যায়। সামরিক শিল্পায়ন বলতে বুঝায়,যেখানে অস্ত্র, গোলাবারুদ ড্রোনসহ নানারকম যুদ্ধযান তৈরি করা হয়। আশিক চৌধুরী আরো জানান, দেশের বড় দল গুলোর সাথে আলোচনা হয়েছে সবাই এক মত জানিয়েছে এবং বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র গুলো আগ্রহ দেখিয়েছে এই সামরিক শিল্পায়নে কেউ কেউ সামরিক কৌশল আদান-প্রদানের সুযোগ দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।।
সরকার আশা করছে আগামী নির্বাচনের পরেই এই শিল্পের জন্য নির্ধারিত জোন তৈরির ঘোষনা দিবে। আশিক চৌধুরী কে প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশে সামরিক শিল্পায়ন গড়ে তুললে পরাশক্তি দেশ গুলো কোন ধরনের বাঁধা দিবে না এর উত্তরে তিনি জানান আমরা তো এখনি পারমানবিক বোমা তৈরি করতে যাচ্ছি না। আমরা ঐতিহাসিক ভাবে নিউট্রাল পররাষ্ট্র নীতি অবলম্বন করে আসছি তাই আমাদের সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ওস্ট বা ওয়েস্ট কোন দিকেই আমরা নির্ভরশীল ছিলাম না। এবং সেটা এখনো থাকবে না। দেশের স্বার্থের জন্য আমরা সবার সাথে কাজ করতে চাই।
ভবিষ্যতের সরকার এ সিদ্ধান্ত কে এগিয়ে নিবে কি না জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বড় দল গুলোর সাথে আলাদা ভাবে কথা বলেছি সবাই মানসিক ভাবে প্রস্তুত কি না এবং সবাই পজিটিভ উত্তর দিয়েছেন। সমপ্রতি বাংলাদেশ তুরস্ক থেকে ByRaktar TB2 ড্রোন কিনেছে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নজরদারিতে কাজে লাগাচ্ছে।পাশাপাশি তুরস্ক সরকার বাংলাদেশে ড্রোন কারখানা তৈরির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে । আশা করি খুব শিগরিই বাংলাদেশ সামরিক খাতে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ সামরিক দিক থেকে এগিয়ে গেলে ভারতের সাথে হয়তো সমর্পকের হিসবে নিকেশ পাল্টে যাবে।খন সীমান্তে হত্যা জোরপূর্বক দখলবাজি করলে উচিত জবাব দিতে পারবে এতেই ভারতের মাথা ব্যথা ।
আপনার প্রতিক্রিয়া জানান
মন্তব্যসমূহ
এই সংবাদের জন্য এখনো কোনো মন্তব্য নেই।