{{ news.section.title }}
বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চালুর অঙ্গিকার দুই দেশের
- Author,
- Role, জাগরণ নিউজ বাংলা
-
গত শনিবার বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নজমুল ইসলাম ও মালদ্বীপের পরিবহন ও বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন এক সৌজন্য বৈঠক করেন। বৈঠকে মালদ্বীপ বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চালু করতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে।
রবিবার (৮ ফেব্রিয়ারি) বাংলাদেশ হাই কমিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করার লক্ষ্যে সরাসরি শিপিং সংযোগ এবং হালাল খাদ্য শিল্পে সহযোগিতার সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়।“
এই বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সরাসরি শিপিং সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU)। বাংলাদেশ হাইকমিশনার এই প্রসঙ্গে অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন এবমহ তিনি যত দ্রুত সম্ভব এই সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
নজমুল ইসলাম উল্লেখ করেন যে দুই দেশের সরাসরি শিপিং চালু হলে পরিবহন ব্যয় কমবে, লজিস্টিক ব্যবস্থা সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা বাড়বে। এর সুফল সরাসরি রপ্তানিকারক, আমদানিকারক ও ভোক্তারা ভোগ করবে।
এছাড়াও বৈঠকে হাই কমিশনার হালাল খাদ্য শিল্পে মালদ্বীপকে সহযোগিতা করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি জানান যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হালাল সার্টিফায়েড খাদ্যপণ্য যেমন- প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পানীয় ও প্যাকেটজাত পণ্য সরবরাহে সম্পুর্ণ সক্ষম।
নজমুল ইসলাম এ খাতে বিনিয়োগ, সরবরাহ চেইন উন্নয়ন এবং মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় মালদ্বীপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে পুনরায় জোরালো আগ্রহ প্রকাশ করেন।
মালদ্বীপ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন সরাসরি শিপিং উদ্যোগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি জানান এমনটি হলে দুই দেশের পণ্য পরিবহনে সহজীকরণ, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক সরবরাহ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এসময় কার্গো পরিবহনের ক্ষেত্রে মালদ্বীপের বিমানবন্দর ও সামুদ্রিক অবকাঠামো ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সৌজন্য এই সাক্ষাতে মালদ্বীপ মন্ত্রী অতীত মনে করে দেশের সংকটকালে বাংলাদেশের সুপেয় পানি সরবরাহ সহায়তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, পরিবহন ও বাণিজ্য সংক্রান্ত উদ্যোগসমূহ জাতীয় নীতিমালা ও উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়ন করা হবে।
সরাসরি শিপিং, বাণিজ্য সহজীকরণ, হালাল খাদ্য শিল্পে অংশীদারিত্ব ও পরিবহন সহযোগিতা জোরদারে পারস্পরিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে উভয় পক্ষ বৈঠক শেষ করেন।