{{ news.section.title }}
এলপিজির দাম কমলো, নতুন দর কার্যকর
ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারে কিছুটা স্বস্তি মিলতে যাচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিলিন্ডারপ্রতি ১৫ টাকা কমিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৪১ টাকা।
সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওঠানামার কারণে দেশে এলপিজির দাম কয়েক দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছিল। ২ ফেব্রুয়ারি ঘোষণায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা করা হয়, যা ভোক্তাদের মধ্যে বেশ আলোচনা তৈরি করেছিল।
মঙ্গলবার নতুন দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। সংস্থাটি জানায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা থেকে সংশোধিত মূল্য কার্যকর হয়েছে। সর্বশেষ নির্ধারণ অনুযায়ী ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম আগের তুলনায় ১৫ টাকা কমানো হয়েছে।
এছাড়া একই বিজ্ঞপ্তিতে অটোগ্যাসের দামও কিছুটা হ্রাস করা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের মূল্য ২৮ পয়সা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬১ টাকা ৮৬ পয়সা (মূসকসহ)।
এলপিজি বাংলাদেশের শহর ও গ্রাম উভয় এলাকাতেই রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি হয়ে উঠেছে। ফলে সামান্য মূল্য পরিবর্তনও সরাসরি সাধারণ মানুষের ব্যয়কে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো এই সমন্বয়ের ফলে কিছুটা আর্থিক স্বস্তি পেতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকার জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে কর কাঠামোতেও পরিবর্তন এনেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এলপিজির ওপর স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ের ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানির সময় ২ শতাংশ আগাম কর তুলে দেয়। পাশাপাশি আমদানি পর্যায়ে নতুন করে ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়। এসব নীতিগত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় বাজারে দামের সামান্য সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে দেখা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজার, কর কাঠামো এবং সরবরাহ পরিস্থিতি-এই তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই দেশে এলপিজির দাম নির্ধারিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই উপাদানগুলোর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গ্যাসের দাম আবারও সমন্বয় হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।