{{ news.section.title }}
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে থেকে সরে গেলেন গণঅভ্যুত্থানে আহতরা
দাবি পূরণের আশ্বাসে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেওয়া জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা সবাই সরে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আহতরা চিকিৎসাধীন নিজ নিজ হাসপাতালে চলে যান।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাজমুল শাহ বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন থেকে উপযুক্ত আশ্বাসে সন্ধ্যায় তারা হাসপাতালে ফিরে গেছেন।
জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরতদের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে ভালোভাবে বোঝানো হলে তারা অবরোধ থেকে সরে আসেন। একইসঙ্গে অভ্যুত্থানে আহতরা পুলিশের সহযোগিতায় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য চলে যান।
এর আগে, বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তারা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তাসহ বেশ কয়েকটি দাবির কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৩ নভেম্বর প্রথম ‘উন্নত চিকিৎসার’ দাবিতে পঙ্গু হাসপাতালে সামনে বিক্ষোভ করেন জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের আহত কয়েক শ’ ব্যক্তি। সেদিন রাত ৩টার দিকে সরকারের চার উপদেষ্টার আশ্বাসে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর তারা সড়ক ছেড়ে হাসপাতালে ফিরে যান।
পরে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার থেকে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে সামনে আবারও বিক্ষোভে নামেন আহতরা। সেসময় তারা সুচিকিৎসার পাশাপাশি ‘পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি’রও দাবি তোলেন। সেদিন সেখানে সারা রাত আন্দোলন করার পর ২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আগারগাঁও ও শ্যামলী মিরপুর রোড সড়ক অবরোধ করে দিনভর বিক্ষোভ করেন। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিরপুর সড়ক ছেড়ে বিক্ষোভরত আহত ব্যক্তিরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে যাত্রা করেন।
পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর আশ্বাসে রাত পৌনে ২টার দিকে তারা যমুনার সামনে থেকে বিক্ষোভ ছেড়ে হাসপাতালে ফিরে যান আন্দোলনে আহতরা।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নাজমুল শাহ বলেন, আন্দোলনকারীদের দাবির বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন থেকে উপযুক্ত আশ্বাসে সন্ধ্যায় তারা হাসপাতালে ফিরে গেছেন।
জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থানরতদের সরকারের পক্ষ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে ভালোভাবে বোঝানো হলে তারা অবরোধ থেকে সরে আসেন। একইসঙ্গে অভ্যুত্থানে আহতরা পুলিশের সহযোগিতায় পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য চলে যান।
এর আগে, বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে তারা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তারা উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পর্যাপ্ত সহায়তাসহ বেশ কয়েকটি দাবির কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৩ নভেম্বর প্রথম ‘উন্নত চিকিৎসার’ দাবিতে পঙ্গু হাসপাতালে সামনে বিক্ষোভ করেন জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের আহত কয়েক শ’ ব্যক্তি। সেদিন রাত ৩টার দিকে সরকারের চার উপদেষ্টার আশ্বাসে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর তারা সড়ক ছেড়ে হাসপাতালে ফিরে যান।
পরে গত ১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার থেকে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে সামনে আবারও বিক্ষোভে নামেন আহতরা। সেসময় তারা সুচিকিৎসার পাশাপাশি ‘পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি’রও দাবি তোলেন। সেদিন সেখানে সারা রাত আন্দোলন করার পর ২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে আগারগাঁও ও শ্যামলী মিরপুর রোড সড়ক অবরোধ করে দিনভর বিক্ষোভ করেন। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিরপুর সড়ক ছেড়ে বিক্ষোভরত আহত ব্যক্তিরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে যাত্রা করেন।
পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহর আশ্বাসে রাত পৌনে ২টার দিকে তারা যমুনার সামনে থেকে বিক্ষোভ ছেড়ে হাসপাতালে ফিরে যান আন্দোলনে আহতরা।